উদ্দীপক দ্বারা ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠান তথা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সকল কার্যক্রম উদ্দীপকে বর্ণিত হয় নি।বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি বিশেষ মর্যাদা ও ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রজাতন্ত্রের বেসামরিক কর্মে যোগ্য নাগরিকদের নিয়োগের সার্বিক কাজ করে থাকে। এই কাজটির কথাই উদ্দীপকে বলা হয়েছে। অথচ এ কাজটি ছাড়াও বাংলাদেশ কর্মকমিশন বহুবিধ কাজ করে।বিভন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রদান, আইনের দ্বারা নির্ধারিত বিভিন্ন দায়িত্বপালন, সরকারি কর্ম কমিশনের ওপর ন্যস্ত। এ কমিশন প্রতিবছর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তার পূর্ববর্তী ৩১-এ ডিসেম্বরে সমাপ্ত ১ বছরের স্বীয় কার্যাবলি সংশ্লিষ্ট একটি রিপোর্ট প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করে, রিপোর্টের সাথে কমিশন একটি স্মারকলিপি পেশ করে। কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের কোনো পরামর্শ গৃহীত না হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ থাকে। কর্মকমিশন বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন সার্ভিস বা পদে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা ও পদ্ধতি, পদোন্নতি এবং বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের পরামর্শ প্রদান করে। ক্যাডার সার্ভিস বা কোনো পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোও কর্মকমিশন কর্তৃক পরিচালিত হয়। পরিশেষে বলা যায়, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন প্রভৃত ক্ষমতা ও মর্যাদার অধিকারী। এই ক্ষমতাবলে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মে নিয়োগসংক্রান্ত সকল কাজ করে থাকে।