উদ্দীপকে উল্লিখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মিল রয়েছে।আমরা জানি, সাংবিধানিক বিধিবিধানের আওতায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানসমূহই হলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানসমূহ রাষ্ট্রের সংহতি অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে নির্বিঘ্নে, ন্যায়ানুগ এবং স্বাধীনভাবে কাজ করে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যা উদ্দীপকে লক্ষণীয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, মিরার বাবা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার এ প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মের নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাই করে। এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যবৃন্দ সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতিদের ন্যায় সমমর্যাদার অধিকারী। ঠিক একইভাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এ কমিশনের চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির ন্যায় সমান মর্যাদার অধিকারী। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা বাছাই, নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যস্ত। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন এক ও অভিন্ন।