দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পূর্বশর্ত হচ্ছে কার্যকর নির্বাচনব্যবস্থা। অন্যকথায় নির্বাচনের ওপর জনগণের আস্থা, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। আর এ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, ভোটারদের পরিচয়পত্র প্রদান, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন যেমন- সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা এবং আনুষঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন। এছাড়া নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইকরণ, দল সম্পর্কিত নীতিমালা ও নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করাও নির্বাচন কমিশনের কাজ। এসব কার্যাবলি সম্পাদনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে। আর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যায়। গণতন্ত্র মানেই হলো জনগণের শাসন। আর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারে। তাই আমি মনে করি, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও গুরুত্ব অত্যধিক।