বাংলাদেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে উক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা অপরিসীম।
দুর্নীতি প্রতিরোধ একটি দীর্ঘমেয়াদী ও বহুমুখী প্রক্রিয়া যার একটি প্রারম্ভিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া মাত্র দুর্নীতি দমন কমিশন। দেশে একটি স্থায়ী ও কার্যকর দুর্নীতি প্রতিরোধক পরিবেশ সৃষ্টি করার দায়িত্ব সবার। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক দল, সরকার, প্রশাসন, গণতন্ত্রের মৌলিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ তথা দেশের সর্বস্তরের জনগণের যৌথ ও সমন্বিত প্রয়াস চালাতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দুর্নীতির মাত্রা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে পাঁচটি ক্ষেত্র পরিবর্তন, পরিশোধন ও সংস্কার অত্যন্ত জরুরী। এগুলো হলো -
১.রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন (রাজনৈতিক ঐক্যমত, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা)।
২.আইনের শাসন।
৩. প্রশাসনিক সংস্কার ও জবাবদিহিতা।
৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
৫. বহুমুখী স্থায়ী উদ্যোগ।
পরিশেষে বলা যায়, এসব উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশের দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব এবং এর ফলে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমবে ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।