উক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সামগ্রিক কার্যাবলী অত্যন্ত বিস্তৃত এবং এর উপরে রাষ্ট্রের উন্নয়ন নির্ভরশীল।
সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের গঠিত। আর বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪০ ও ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলীর বর্ণনা করা হয়েছে। উদ্দীপকে যে বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো স্থানে সরকারি কর্মকমিশনকে নির্দেশ করছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ দানের জন্য সরকারি কর্মকমিশন উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা পরিচালনা করে। আর কর্মকমিশন এই কাজ নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির আলোকে সম্পাদিত করে। যেমন - ১. প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা, ২. লিখিত পরীক্ষা, ৩. মৌখিক পরীক্ষা, ৪. ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ৫. পুলিশ তদন্ত। এ পদ্ধতিগুলো সদযোগ্য ও মেধাবীব প্রার্থী বাছাই করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ১৯৮১ সালের সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধি অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে ।
সুতরাং, এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের দেশ ও জাতিকে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী প্রশাসন উপহার দিতে পারে এবং সৎ মেধাবী ও যোগ্য প্রশাসন নিয়োগে কর্ম কমিশনের ভূমিকাই মুখ্য।