'হারুন সাহেবের দক্ষতা ও সততা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটি যথার্থ ও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব হলো দেশে সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নির্বাচন কমিশনের এরূপ ভূমিকার মাধ্যমে দেশে জনগণ সুষ্ঠুভাবে তাদের মতামত প্রদানের সুযোগ, লাভ করে। এর ফলে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সুদৃঢ় হয়। কারণ প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র বিনির্মাণের পূর্বশর্ত হচ্ছে কার্যকর নির্বাচন ব্যবস্থা। অন্যকথায় নির্বাচনের ওপর জনগণের আস্থা, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। আর এ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করা। এছাড়া সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা এবং আনুষঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন করা। এক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইকরণ, দল সম্পর্কিত নীতিমালা ও নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে থাকে। এসব কার্যাবলি সম্পাদনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে। এভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যায়। গণতন্ত্র মানেই হলো জনগণের শাসন। আর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারে।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, হারুন সাহেবের দক্ষতা ও সততা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।