উদ্দীপকের রাতুলের কাজ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এবং সাকিব অ্যটর্নি জেনারেলের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে উল্লিখিত কাজ ছাড়াও প্রতিষ্ঠান দুটি আরো নানামুখী কাজ করে থাকে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রাতুল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সদস্য। তার এ প্রতিষ্ঠান ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচন পরিচালনা ও নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা করে। অন্যদিকে সাকিব একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার কাজ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করা ও রাষ্ট্রের পক্ষে মামলাপরিচালনা করা। এর মাধ্যম্যে রাতুলের কাজে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও সাকিবের কাজে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাজের চিত্র প্রকাশ পায়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন শুধু ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচন পরিচালনা ও ফলাফল ঘোষণার কাজই করে না, বরং নির্বাচন সম্পর্কিত আইন প্রণয়নে পরামর্শ দেওয়া, নির্বাচনী বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ এবং ভোটার ও নাগরিকদের নির্বাচন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে। এ সংস্থাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। অন্যদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন উপদেষ্টা হিসেবে সরকারের আইনি বিষয়গুলোতে পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টসহ বিভিন্ন আদালতে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে মতামত দেওয়া, আন্তর্জাতিক চুক্তি বা চুক্তিপত্রের আইনি দিক বিশ্লেষণ করা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার আইনি কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করাও তার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, রাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো আইনি বিষয়ের তদারকি করেন।