সৎ, দক্ষ ও মেধাবী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ভূমিকা অপরিসীম।
কর্মকমিশনের কতকগুলো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যর অধিকারী । এটি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে গণ্য হয়।বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজস্ব ধারায় ও নির্দিষ্ট নিয়ম নীতি অনুযায়ী কাজ করে থাকে। কমিশনের কাজে কেউ হতক্ষেপ করতে পারবে না। মূলত কর্মকমিশন তার মর্যাদা ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বাতন্ত্র্য ভোগ করে। কর্মকমিশনের যেহেতু স্বতন্ত্র মর্যাদা সম্পন্ন একটি সাংবিধানিক সংস্থা সেহেতু কমিশনের নিরপেক্ষতা বাঞ্ছনীয়। কমিশনের সদস্যরা নিরপেক্ষ না হলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয় না। কমিশন এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা হারালে দুর্বল প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে, যা জাতির জন্য অকল্যাণকর। তাই বাংলাদেশ সরকার কর্মকমিশনের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো নিরপেক্ষতা। কমিশনের সদস্যদের সততা ও দক্ষতার অভাব ঘটলে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগপ্রাপ্ত হবে। ফলের যোগ্য ব্যক্তিরা তাদের ন্যায্য অধিকার হতে বঞ্চিত হয়। তাই দক্ষ, সৎ ও মেধাবী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য সরকারি কর্মকমিশনের গুরুত্ব অপরিসীম।
সুতরাং প্রশ্নোত্তর উক্তিটি সঠিক হয়েছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।