উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো দুদক। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্ষম।উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ রফিকের বন্ধুর বাবার অবৈধ সম্পদ তদন্ত করছে যে প্রতিষ্ঠানটি, সেটি হলো দুর্নীতি দমন কমিশন। এটি বাংলাদেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যার প্রধান লক্ষ্য রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে দুর্নীতি নির্মূল করা। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের মাধ্যমে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই কমিশন জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা রাখে।দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত করে এবং প্রয়োজন হলে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এ প্রতিষ্ঠানটি সাক্ষী তলব, জেরা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা আইনগতভাবে লাভ করেছে, যা তাকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী ভূমিকা পালনে সক্ষম করে। উদাহরণস্বরূপ, রফিকের বন্ধুর বাবার বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো এবং আদালতে যাওয়া- এই দুটোই কমিশনের ক্ষমতার আওতায় পড়ে। যদিও এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে কিছু' সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও এটি জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং প্রশাসনিক খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। তাছাড়া, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও দলমত নিরপেক্ষ প্রয়োগ থাকলে কমিশন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।সুতরাং বলা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশের দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান, তবে এর সর্বোচ্চ সফলতা নির্ভর করে সমন্বিত প্রয়াস ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।