উদ্দীপকে শরিফ রহমান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করছেন বলে আমি মনে করি।
অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পেতে হলে বেশকিছু যোগ্যতা থাকতে হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করবেন। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর কাল এডভোকেটরূপে কাজ করে থাকলে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে কমপক্ষে ১০ বছর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে কাজ করে থাকলে কিংবা কমপক্ষে ১০ বছর কাল এডভোকেটরূপে কাজ করে থাকলে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, শরিফ রহমান সর্বোচ্চ আদালতের একজন প্রথিতযশা আইনজীবী। এজন্য সরকার তাকে একটি আইনভিত্তিক সাংবিধানিক পদে নিয়োগ দান করে। এ থেকে বোঝা যায়, শরিফ রহমান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হওয়ায় সরকার তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন, যা অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ লাভের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে শরিফ রহমান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।