সৎ, যোগ্য ও দক্ষ প্রশাসন গড়ে তুলতে উক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ সরকারি কর্ম কমিশনের গুরূত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪০ ও ১৪১ নং অনুচ্ছেদে ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য সরকারি কর্মকমিশন উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই-এর উদ্দেশ্যে পরীক্ষা পরিচালনা করে, আর কর্মকমিশন এই কাজ নিম্নলিখিত প্রক্রিয়ার আলোকে সম্পাদন করে, যেমন-১. প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ২. লিখিত পরীক্ষা ৩. মৌখিক পরীক্ষা ৪. ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ৫. পুলিশি তদন্ত, এ পদ্ধতিগুলো সৎ, যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থী বাছাইকরণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারি কর্মকমিশন। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ১৯৮১ সালের সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধি অনুযায়ী প্রত্যাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে, অন কর্মকমিশন সৎ, যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীদের পদোন্নতির জন্যই সুপারিশ করে, 'আর এ সকল কর্মকান্ডের প্রতিটি ধাপে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা অবলম্বন হলে অবশ্যই দেশবাসী সৎ, যোগ্য সরকারি কর্মকর্তা পাবে, সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশন দেশ ও জাতিকে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী প্রশাসন উপহার দিতে পারে।