উদ্দীপকে উল্লেখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পাঠ্য বইয়ের একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা তথা বাংলাদেশ কর্মকমিশনের মিল রয়েছে। প্রত্যেক রাষ্ট্রে সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পাদনের জন্য একটি সরকারি কর্মকমিশন অনুরূপ সংস্থা থাকে। বাংলাদেশেও এরূপ একটি সংস্থা রয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন নামে পরিচিত। ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কর্মকমিশন আদেশ জারি করে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি দুটি কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে তা দুটির পরিবর্তে একটি করা হয়। বাংলাদেশের কর্মকমিশন একজন সভাপতি কয়েকজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত। কমিশনের সভাপতি ও সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন। তারা নিয়োগ সংক্রান্ত বহুবিধ কার্য সম্পাদন করে থাকে। উদ্দীপকে জনাব জামাল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি কর্মে নিয়োগ জানের জন্য নিরপেক্ষভাবে সৎ,যোগ্য, মেধাবী ও দক্ষ লোক বাছাইয়ের ব্যবস্থা করেন। সুতরাং নিশ্চিত ভাবে বলা যায়, উদ্দীপকে জনাব জামালের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারি কর্মকমিশনের সাদৃশ্য রয়েছে।