উদ্দীপকে উল্লেখিত কার্যক্রম এর সাথে রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশন নামক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জড়িত। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এ বিষয়টি সুচারুভাবে সম্পাদন করে থাকে। নির্বাচন কমিশন সংসদের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন, তত্ত্বাবধায়ন, নির্দেশ দান ও নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দান, তফসিল ঘোষণা, গৃহীত মনোনয়নপত্র গ্রহণ, বাছাই ও নির্ধারণ করে এ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা ও গেজেট আকারে প্রকাশ করে থাকে। এভাবেই নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে। উদ্দীপকে রফিকদের গ্রামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে।একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান প্রার্থীদের জন্য তফসিল ঘোষণা করে। এরূপ বর্ণনায় নির্বাচন কমিশনের স্বরূপ প্রকাশ পায়। সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত করবেন। রাষ্ট্রপতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন এবং সংসদের বিধান সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের কর্মের শর্তাবলী নির্ধারিত হবে। একাধিক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত কমিশনের সভাপতি রূপে কার্য নির্বাহ করবেন। এছাড়া সংবিধানের এ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের গঠন, মেয়াদ ও পদচুক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিধানের উল্লেখ রয়েছে।