হ্যাঁ, আমি মনে করি উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জনপ্রতিনিধি বাছাই এর ক্ষেত্রে যথার্থ ভূমিকা পালন করছে। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যা গঠনের উদ্দেশ্যই হল প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি বাছাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সাথে কমিশনটি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। এ লক্ষ্যে কমিশন ভোটারের যথার্থতা নির্ধারণের স্বার্থে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, তোদেরও কি ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আবার অবাত ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের জন্য কমিশন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ প্রদান করে থাকে। নির্ধারিত দিনে ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে ভোট প্রদানের তদারকি, বিশৃঙ্খলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জাল ভোটসহ বিভিন্ন নির্বাচনী অপরাধ ও দুর্নীতি ঠেকাতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও প্রয়োজনে দোষীদের শাস্তি বিধান করে এ কমিশন। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা স্বার্থে বিধিবদ্ধ এ সংস্থাটি স্বাধীন ও প্রভাব মুক্ত অবস্থায় কাজ করে থাকে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরামর্শ হিসেবে আরো চারজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকেন। যার সিদ্ধান্তকে পক্ষপাত মুক্ত করতে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন। দেখা যাচ্ছে যে, ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত এমনকি ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠুভাবে ও নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালন করে থাকে। আর সাংবিধানিক উপায়ে ব্যালট পেপার এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করে নির্বাচনকে অবাধ, উন্মুক্ত ও সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে কমিশনটি। তাই বলা যায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।