আঞ্চলিক সহযোগিতা ও শান্তি রক্ষায় উক্ত সংস্থাটি অর্থাৎ সার্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতি অর্জনের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠিত হয়। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ সংস্থার জন্ম হয়। সার্ক সনদে আটটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে। এগুলো হচ্ছে জনজীবনের মানোন্নয়ন, আস্থা ও সমঝোতা বৃদ্ধি, যৌথ কার্যক্রমের সূচনা, অপরের সঙ্গে সহযোগিতা, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা এবং সার্বভৌমত্ব ও সংহতি বিধান।
এছাড়া সার্ক সদস্যভুক্ত দেশসমূহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির লেনদেন এবং আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে বিপুল উৎসাহের সাথে কাজ করে থাকে। শুধু তাই নয়, সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ব্যবসায়-বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা, আঞ্চলিক বিরোধের নিষ্পত্তি, প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসনে সকল সদস্য রাষ্ট্র একযোগে কাজ করছে যা সামগ্রিক সমস্যার সমাধানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকের সংস্থাটি অর্থাৎ সার্ক আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।