উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থা অর্থাৎ সার্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও ঘনিষ্ট।সার্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সার্কের স্বপ্ন দ্রষ্টা বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সার্ক গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা। বাংলাদেশের ভূমিকা শুধু সার্ক গঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সার্কের যেকোনো সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা সর্বাগ্রে উল্লেখযোগ্য।সার্ক গঠনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগী ভূমিকা সর্বজনবিহিত। সার্কের জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশ সার্কের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বলিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশ সার্কের সদস্য হিসেবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর কৃষি, আবহাওয়া, পল্লি উন্নয়ন, বিজ্ঞান, যোগাযোগ, শিক্ষা, পরিবেশ প্রভৃতি বিষয়ের উন্নয়নে জন্য সার্কের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। সার্কের সদস্য হিসেবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও অবাধ করার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১১ এপ্রিল অগ্রাধিকার মূলক বাণিজ্যব্যবস্থা (SAPTA) চুক্তি সম্পাদিত হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সাথে সার্কের সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য বহুগুণ বাড়ে। এছাড়া সদস্য দেশগুলোতে মানব পাচার রোধ, সন্ত্রাস দমন ইত্যাদি কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা নানা ধরনের যৌথ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ১৯৮৯ সালে সার্ক কৃষি তথ্যকেন্দ্র (SAIC) প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ অঞ্চলে কৃষি উন্নয়নে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সার্কের সদা সাফল্য বাংলাদেশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা। উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, সার্ক ও বাংলাদেশ অভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ।