উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন কমিশন সংস্থাটির প্রধান কাজ হলো দেশে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। উক্ত কর্মকান্ডের বৈশিষ্ট্য হলো সর্বজনীন ভোটাধিকার। সংবিধান অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স্ক সকল নাগরিকের ভোটাধিকার স্বীকৃত। প্রত্যেকে সকল প্রকার ভয়-ভীতি ও চাপমুক্ত থেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করা নির্বাচন কমিশনের কর্মকান্ডের সাংবিধানিক বৈশিষ্ট্য। আবার উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন কমিশনের কর্মকান্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমভোটাধিকার। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ভোটদানের সমান অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র কারও ভোটাধিকার প্রয়োগে তারতম্য নেই। আর এ দিকটির বাস্তবায়ন ঠিক রাখা নির্বাচন কমিশন সংস্থার কাজ। উদ্দীপকের নির্বাচন কমিশন সংস্থার কর্মকান্ডের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো প্রত্যক্ষ ভোট পদ্ধতি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। এ সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা নির্বাচন কমিশন নামক সংস্থার বৈশিষ্ট্য সংবলিত কার্য। নির্বাচন কমিশন সংস্থার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। তাই বলা যায় যে, নির্বাচন কমিশন সংস্থার সাংবিধানিক নিয়মনীতি, ধারা বৈশিষ্ট্যের বলে দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে।