বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ভোটাধিকার প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র আমানত হওয়ায় উদ্দীপকের রিমা সম্পর্কিত প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ।গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হলো নির্বাচন। আর নির্বাচনের প্রাণ হলো জনগণ। জনগণ নির্বাচনে অংশ নেয় এবং যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই করে দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনায় নিযুক্ত করে। যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হওয়ায় বেশকিছু শর্তের ভিত্তিতে ভোটার নির্বাচন করা হয়। উদ্দীপকের রিমাও এসব শর্ত পালনের মাধ্যমে নতুন ভোটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিকেরই ভোটদানের অধিকার রয়েছে। পাঠ্যবই থেকে জানা যায়, এটি নাগরিকের পবিত্র আমানত। সাধারণ জনগণ সব ধরনের চাপের ঊর্ধ্বে থেকে গোপন ভোট পদ্ধতির আওতায় মনমতো প্রার্থী বাছাই করে থাকেন। এতে প্রত্যেকের ভোটাধিকারের স্বাধীনতা রয়েছে। তাদের প্রদত্ত ভোটের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করে দেশের সমগ্র শাসনব্যবস্থা। তাই ভোটকে প্রত্যেক নাগরিকের পবিত্র আমানত বলা হয়, যা পরবর্তীতে সে যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই করার মাধ্যমে প্রদান করে। এমনিভাবে দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে উদ্দীপকের রিমার ভোটও তার পবিত্র আমানত। কেননা সেও একইভাবে অন্যান্য ভোটারের মতো ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নিবে এবং নিজের মতামত প্রয়োগ করবে। প্রতিটি নাগরিকের মতো উদ্দীপকের রিমার ভোটও তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। গোপন এবং প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে ভোটদান করে সে তার এ. পবিত্র আমানতকেই প্রয়োগ করবে। তাই সার্বিক দিক পর্যালোচনা শেষে বলা যায় যে, প্রশ্নের মন্তব্যটি যথার্থ।