'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: আধুনিক যুগ নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার যুগ। জনগণের প্রতিনিধির মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করা এটাই স্বাভাবিকভাবে সকলের কাম্য। এজন্য নির্বাচন হলো সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য মাধ্যম। নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং জনমত প্রকাশ পায়। এতে জনগণ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং জনগণের চাহিদানুযায়ী শাসনকাজ পরিচালিত হয়। যে কারণে/ফলে নির্বাচন হতে হবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও কারচুপিবিহীন। যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং সমাদৃত হয়। অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত সরকার জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্য ও গণতন্ত্রের সমার্থক। কিন্তু শুধু প্রত্যাশা থাকলেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা না করতে পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হয়। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন হলে নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ও নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি অত্যন্ত সহজ হয়। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করতে পারে। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন দলীয় ক্যাডারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও নির্বাচনে অর্থের প্রভাব প্রতিরোধ করতে পারে।উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, 'অবাধ ও নিরপক্ষে নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি অত্যন্ত যুক্তিসংগত ও যথার্থ।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর