মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে এক ধরনের সীমিত গণতন্ত্র যাতে কেবল কিছু নির্দিষ্ট লোকের অংশগ্রহণে জাতীয় নেতৃত্ব নির্বাচন করা হতো। তাদের বলা হতো মৌলিক গণতন্ত্রী।
জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে দেশে মৌলিক গণতন্ত্র নামে এক অভিনব ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। তিনি একটি নতুন ধারার নির্বাচন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন । আর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি ছিল এই মৌলিক বা বুনিয়াদী গণতন্ত্র। এ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মন্ত্রিসভা ও প্রতিনিধি পরিষদসমূহ সর্বতোভাবে প্রেসিডেন্টের অধীন থাকা এবং প্রাদেশিক বা অন্য কোনো স্তরে স্বায়ত্তশাসনের অনুপস্থিতি। প্রারম্ভিক পর্যায়ে মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি পাঁচস্তর বিশিষ্ট ব্যবস্থা। নিম্নস্তর থেকে শুরু করে এ স্তরগুলো ছিল- ১. ইউনিয়ন পরিষদ এবং শহর ও ইউনিয়ন কমিটি, ২. থানা পরিষদ, ৩. জেলা পরিষদ, ৪. বিভাগীয় পরিষদ এবং ৫. প্রাদেশিক উন্নয়ন উপদেষ্টা পরিষদ।