বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ও আপোসহীন নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল।
আমাদের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটটি অনেক ঘটনায় পরিপূর্ণ,অনেক গৌরবে গৌরবান্বিত। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে,তাদের প্রেরণা দিয়ে,সাহস দিয়ে একটা চূড়ান্ত বোঝাপড়ার দিকে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব যাদের তাঁদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু অন্যতম।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রসহ সকল শ্রেণির মানুষ অংশ নিয়েছিল।এমনকি মহিলা ও শিশুরাও এগিয়ে এসেছিল। তাদের সামনে প্রধান যোদ্ধা হয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধু।তাদের মনের সাহস যুগিয়েছেন। যোদ্ধাদের সঠিক পথ দেখিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরো সময় আমাদের প্রেরণার উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু। স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান কিছুতেই ম্লান করা যাবে না। এই লক্ষ্য সামনে রেখে শেখ মুজিব যেভাবে জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, নানামুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে গেছেন, তা সত্যিই অতুলনীয়।পঞ্চাশ থেকে সত্তরের দশক পর্যন্ত তার বক্তৃতা-বিবৃতি, রাজনৈতিক কর্মসূচি, অসহযোগ আন্দোলন এবং স্বাধীনতার ঘোষণা পর্যন্ত তার অবদান বাঙালি জাতিকে স্বাধীন করেছে। বাঙালি জাতি পাকিস্তান নামক নতুন রাষ্ট্রে যখন প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছিল তখন শেখ মুজিবুর রহমান সবার পাশে দাঁড়ায়।বাঙালির অধিকার আদায়ের জন্য ৬দফা দাবি পেশ করে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সফল করতে জেলে বসেই অনশন করে চূড়ান্ত পর্যায়ে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য,স্বাধীনতার জন্য।১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সবাইকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করলেও তিনি থেমে থাকেননি।জেলে যাবার পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।