উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মিল রয়েছে।পাকিস্তানের তৎকালীন স্বৈরাশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল মৌলিক গণতন্ত্র, আগরতলা মামলা ও আইয়ুব খানের নির্যাতনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সকল অংশে ১৯৬৯ সালে এ দুর্বার গণআন্দোলন শুরু হয়। উদ্দীপকে এ ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটেরি অনুরূপ। আইয়ুব খানের পদত্যাগ, ১৯৬২ সালের সংবিধান বাতিল, এক ব্যক্তি এক ভোটের ভিত্তিতে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার প্রভৃতি ছিল এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য। এছাড়াও অন্যান্য দাবি সমূহ নিয়ে ছাত্ররা ১১ দফা ঘোষণা করে। ছাত্রদের ১১ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো ছিল শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রের আদর্শ প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান ঘটানো, গণবিরোধী অশুভ শক্তির মূলোচ্ছেদ এবং সামরিক চক্রের কর্তৃত্ব লোপ প্রভৃতি।১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলনে হঠাৎ করেই গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়নি। পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যার বিভিন্ন পঞ্জীভূত ক্ষোভ, হতাশা, অপ্রাপ্তি, নির্যাতন, শোষণ ও বঞ্চনা প্রভৃতির বিরুদ্ধে সমন্বিত আন্দোলন ছিল ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার এর অনুরূপ বলে এর সাথে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনারই মিল রয়েছে।