শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো ঐতিহাসিক মামলার সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত মামলার সাথে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার সাদৃশ্য আছে । উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেতা লিটন চৌধুরী সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। ফলে সরকার ভীত হয়ে তাকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উদ্দীপকের এ ঘটনা পুরোপুরিই আগরতলা মামলার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে অযৌক্তিকভাবে শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। শুরু থেকেই এ রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্রে পশ্চিমাঞ্চলের আধিপত্য দেখা যায়। পূর্ব পাকিস্তান জনসংখ্যায় বৃহত্তর হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্রের দ্বারা তারা দমন-পীড়নের শিকার হতে থাকে। এ নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম সফল আন্দোলন ছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। এরপর ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে প্রদেশে বাঙালির শাসনক্ষমতা গ্রহণের পথ উন্মুক্ত হলে তাতে বাগড়া দেন জেনারেল আইয়ুব খান। তিনি সামরিক শাসন জারি করার মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। এমতাবস্থায় তার দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান বাঙালির জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্য ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। সরকার তাঁর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাঁকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ১৯৬৮ সালের ১১ এপ্রিল দায়েরকৃত এ মামলার শিরোনাম হয় 'পাকিস্তান রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্ট যে, উদ্দীপকে বর্ণিত মামলার সাথে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো ঐতিহাসিক মামলার সাদৃশ্য আছে কি? ব্যা…

উদ্দীপক

লিটন চৌধুরী 'ক' রাষ্ট্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা। সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেন। সরকার ভীত হয়ে লিটন চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

Rajshahi · 2019

উত্তর

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান হলো পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্রের কুশাসনের বিরুদ্ধে সে বছর পূর্ব-পাকিস্তানে পরিচালিত তীব্র গণ- আন্দোলন।

উত্তর

মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে এক ধরনের সীমিত গণতন্ত্র যাতে কেবল কিছু নির্দিষ্ট লোকের অংশগ্রহণে জাতীয় নেতৃত্ব নির্বাচন করা হতো। তাদের বলা হতো মৌলিক গণতন্ত্রী। জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে দেশে মৌলিক গণতন্ত্র নামে এক অভিনব ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। তিনি একটি নতুন ধারার নির্বাচন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন । আর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি ছিল এই মৌলিক বা বুনিয়াদী গণতন্ত্র। এ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মন্ত্রিসভা ও প্রতিনিধি পরিষদসমূহ সর্বতোভাবে প্রেসিডেন্টের অধীন থাকা এবং প্রাদেশিক বা অন্য কোনো স্তরে স্বায়ত্তশাসনের অনুপস্থিতি। প্রারম্ভিক পর্যায়ে মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি পাঁচস্তর বিশিষ্ট ব্যবস্থা। নিম্নস্তর থেকে শুরু করে এ স্তরগুলো ছিল- ১. ইউনিয়ন পরিষদ এবং শহর ও ইউনিয়ন কমিটি, ২. থানা পরিষদ, ৩. জেলা পরিষদ, ৪. বিভাগীয় পরিষদ এবং ৫. প্রাদেশিক উন্নয়ন উপদেষ্টা পরিষদ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত মামলার সাথে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার সাদৃশ্য আছে । উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেতা লিটন চৌধুরী সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। ফলে সরকার ভীত হয়ে তাকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উদ্দীপকের এ ঘটনা পুরোপুরিই আগরতলা মামলার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে অযৌক্তিকভাবে শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। শুরু থেকেই এ রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্রে পশ্চিমাঞ্চলের আধিপত্য দেখা যায়। পূর্ব পাকিস্তান জনসংখ্যায় বৃহত্তর হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকচক্রের দ্বারা তারা দমন-পীড়নের শিকার হতে থাকে। এ নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম সফল আন্দোলন ছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। এরপর ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে প্রদেশে বাঙালির শাসনক্ষমতা গ্রহণের পথ উন্মুক্ত হলে তাতে বাগড়া দেন জেনারেল আইয়ুব খান। তিনি সামরিক শাসন জারি করার মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। এমতাবস্থায় তার দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান বাঙালির জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্য ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। সরকার তাঁর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাঁকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ১৯৬৮ সালের ১১ এপ্রিল দায়েরকৃত এ মামলার শিরোনাম হয় 'পাকিস্তান রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্ট যে, উদ্দীপকে বর্ণিত মামলার সাথে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা তথা ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি তৈরি করেছিল। এই ঘটনাই পরবর্তীতে বাঙালি জনগণকে স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রেরণা দেয়। আগরতলা মামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার প্রচারিত ছয় দফা দাবিকে নিশ্চিহ্ন করা। এটি ছিল বাঙালি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও দমননীতির বহিঃপ্রকাশ। স্বৈরাচারী আইয়ুব-মোনায়েম সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগকে জনবিচ্ছিন্ন করার মানসেই এ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করে। তবে তাদের মনোবাসনা পূরণ হয়নি। আগরতলা মামলা দায়ের করার পর পাকিস্তানের শাসকচক্র সরকারি প্রচারযন্ত্র কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'পাকিস্তানের শত্রু' বলে প্রচারণা চালাতে থাকে। কিন্তু এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিরূপ মনোভাব জন্মানোর পরিবর্তে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ মামলার কথা দেশব্যাপী জানাজানি হওয়ার পর রাতারাতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার ছয় দফা কর্মসূচি আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী কর্তৃক অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হকের হত্যাকাণ্ড ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শুরু হয় দেশব্যাপী গণ-আন্দোলন যা পরবর্তীতে ভাসানীর নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আগরতলা মামলার প্রত্যক্ষ ফল হিসেবে '৬৯ সালে যে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় তা বাঙালি জনগণকে স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছিল। এ মামলার ফলে শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং তিনি মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন। পরবর্তীতে ১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পরে বাঙালি জনগণের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া এ সব কিছুকেই আগরতলা মামলার পরোক্ষ ফল বললে অত্যুক্তি হবে না।
HSCCivics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।