ছকে উল্লিখিত ঘটনাবলীর সাথে আমার পাঠ্য বইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মিল রয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে উদ্দীপকে উল্লিখিত মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্তৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের আন্দোলন ও সংগ্রাম নির্দেশিত হয়েছে বাঙালির জাতির মুক্তির লক্ষ্যে।৫২'র ভাষা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধানের বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান, ১৯৫৮ সালের জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৬৬ সালে বাঙালির প্রাণের দাবি ছয় দফা কর্মসূচি পেশ ও ছয় দফা ভিত্তিক আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অভাবনীয় বিজয়, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনের একচ্ছত্র মুখ্য ভূমিকা পালন করেন যাদের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের ২৪ বছরের শাসনামলে তিনি ১২ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। ১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলায় প্রধান আসামি করা হয় তাকে। ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ জাতির স্বাধীনতার দ্বার উন্মোচন করে। তার নামেই পরিচালিত হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বলা হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাবলীতে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, আগরতলা মামলা, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ও স্বাধীনতার স্থপতির কথা বলা হয়েছে যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনের অংশবিশেষ কে নির্দেশ করে।
সুতরাং বলা যায় ছকে উল্লেখিত তথ্যের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মিল রয়েছে।