স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় উক্ত নেতার অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়।
বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের আন্দোলন ও সংগ্রাম নির্দেশিত হয়েছে বাঙালির জাতির মুক্তির লক্ষ্যে। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ এবং ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হন। ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেন, ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৬৬ সালের বাঙালির প্রাণের দাবি ছয় দফা কর্মসূচি পেশ ও ছয় দফা ভিত্তিক আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অভাবনীয় বিজয়, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনে একচ্ছত্র মুখ্য ভূমিকা পালন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের ২৪ বছরের শাসনামলে তিনি ১২ বছর কারাগারে পাঠিয়েছেন। ১৯৪৮ সালে আগরতলা মামলার আসামি করা হয় তাকেসহ আরও ৩৪ জনকে। ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তিনি বাঙালি জাতীর স্বাধীনতার দ্বার উন্মোচন করেন। তার নামে পরিচালিত হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। সুতরাং বলা যায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়।