উদ্দীপকের শমসের আলীর সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের হাজী শরীয়তউল্লাহর সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি ভুল পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখেন।তার অনুসারীদের ধর্মীয় কুসংস্কারমুক্ত হয়ে মুসলমানদের 'ফরজ' অর্থাৎ অবশ্য করণীয় কর্তব্য পালনে আহ্বান জানান। কেননা, হাজী শরীয়তউল্লাহ লক্ষ করেন, মুসলমান জনগণ পীরপূজা, পীরের দরগায় উরস এবং কবর পূজায় লিপ্ত। তিনি এসব পালনের ঘোর বিরোধিতা করেন এবং সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন শুরু করেন।তৎকালীন মুসলমান সমাজে পীরপূজা, কবর পূজা, মনসা পূজা, শীতলা পূজা, দরগায় মানত ইত্যাদি ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল। মুসলমানদের এসব ধর্মীয় কুসংস্কার ও অনাচার হাজী শরীয়তউল্লাহকে বিচলিত করে। তিনি এসব কাজের ঘোর বিরোধিতা করেন। তিনি মুসলমানদের এসব কাজ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য ফরায়েজি আন্দোলনের মতো প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন।উদ্দীপকের শমসের আলী লক্ষ করলেন কিছু মুসলমান মনের আশা পূরণ করার জন্য মৃত মানুষের কবরে যায়। উক্ত ভুল পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি চেষ্টা চালান।শমসের আলীর এরূপ কার্যক্রমে হাজী শরীয়তউল্লাহর কাজের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।