উদ্দীপকের 'ক' বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহকে বুঝানো হয়েছে। তার আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত ফরায়েজি আন্দোলনের মিল আছে।হাজী শরীয়তউল্লাহ কতিপয় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতেই ফরায়েজি আন্দোলন পরিচালনায় অগ্রসর হয়েছিলেন। তিনি যেসব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে অগ্রসর হয়েছিলেন সেগুলো হলো- ১.মুসলমান জাতিকে সকল প্রকার পাপ পঙ্কিলতা থেকে উদ্ধার করে ইসলামি মূলনীতি তথা ফরজ-এর ওপর প্রতিষ্ঠিত করা, ২. ইসলাম বিরোধী সকল কার্যকলাপ ও কুসংস্কার রোধে মুসলমানদের উদ্বুদ্ধ করা, ৩. মুসলমানদের সকল প্রকার নৈতিক বলে বলীয়ান করা, ৪. মুসলমানদের অধিকার ও কর্তব্য পালনে সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা, ৫. ইংরেজ সরকারের সকল জুলুম ও অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো, ৬. জমিদার শ্রেণির সকল অত্যাচার-অনাচারের প্রতিবাদ করা, ৭. ইংরেজদের ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করা এবং ৮. ভারতবর্ষকে স্বাধীন করা। এসব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। সর্বোপরি বলা যায়, তাঁর আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের মধ্যে বিদ্যমান কুসংস্কারকে দূরীভূত করা এবং তাদেরকে ইসলামের প্রকৃত আলোয় আলোকিত করা। এসব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছিলেন।