আমার পঠিত নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আকিব মিয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন কৃষকদরদি নেতা। তিনি ১৯৩৭ সালে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ঋণসালিশি বোর্ড গঠন করে জমিদার ও গ্রাম্য মহাজনদের শোষণ থেকে মুক্তি ও কৃষকদের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৩৮ সালে তিনি কৃষকদের সুবিধার্থে প্রজাস্বত্ব আইন পাস করেন। ১৯৪০ সালে তিনি মহাজনি আইন পাস করেন। শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও কৃষক প্রজাদের সুদখোর মহাজন ও জমিদারদের কবল থেকে রক্ষা করেন। উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী শিক্ষিত যুবক আকিব মিয়া করগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ করেন যে, গ্রামীণ গরিব কৃষকরা সুদখোর মহাজনদের নিকট থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। ঋণের দায়ে কৃষকদের জমিজমা মহানজরা গ্রাস করেছেন। এরূপ পরিস্থিতিতে আকিব মিয়া কৃষকদের রক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এ থেকে বোঝা যায়, আকিব মিয়া শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।