উদ্দীপকের মি. সুনীল রায়ের সাথে আমার পঠিত হোসেন ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মিল রয়েছে। সংসদীয় গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও রীতিনীতি, আইনের শাসন,আইনসভার সার্বভৌমত্ব এবং নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিল অসামান্য শ্রদ্ধাবোধ। তিনি পাকিস্তানের বিরোধী রাজনৈতিক দলের স্রষ্টা। তিনি বিশ্বাস করতেন শক্তিশালী বিরোধী দল ব্যতীত গণতন্ত্র অর্থহীন। শত প্রলোভন ও নির্যাতনের মুখেও গণতন্ত্রের প্রতি তিনি ছিলেন আপসহীন যোদ্ধা। শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এজন্য তিনি বলেছিলেন ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করিনা, আমার একমাত্র ভরসা হচ্ছে গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। গণতন্ত্র আমার জীবনের মূলমন্ত্র। শাসনতন্ত্রের প্রশ্নে জনগণের রায়ই আমার শেষ কথা। উগ্র, হটকারী ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতির বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার। তিনি বিশ্বাস করতেন বুলেটের চেয়ে ব্যালটই শক্তিশালী। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মি. সুনীল রায় ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ তার লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের উন্নতি সাধন। অল্প কালের মধ্যেই তিনি মারা যান। এরূপ বর্ণনায় কারও স্বরূপ স্পষ্ট না হলেও তার সাথে সোহরাওয়ার্দির সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তার সমসাময়িককালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছাড়া আর কোন রাজনীতিবিদ ছিলেন না। সে হিসেবে মি. সুনীল রায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রতিনিধি।