হ্যাঁ, উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ বাংলার অবিসংবাদিত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাদৃশ্য আছে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন নিয়ম তান্ত্রিক রাজনীতির পুরোধা। তার জীবন ছিল কর্মমুখর ও বৈচিত্র্যময়। কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সূত্রপাত ঘটিয়ে পরবর্তীতে তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপর বিলাতের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেন। ব্যারিস্টার হয়ে কলকাতা হাইকোর্টে তিনি আইন ব্যবস্থাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন এবং ঠিক এ সময়েই তিনি প্রখ্যাত আইন ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদ্বেষ বন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে চলে আসেন। এরপর তার বন্যার্থ রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত ঘটে। তার রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ১৯২১-৪৭ সাল পর্যন্ত বঙ্গীয় আইনসভার সদস্যপদ লাভ । এছাড়াও তিনি ফজলুল হক মন্ত্রিসভার সদস্য (১৯৩৭-৪১), অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী (১৯৪৬-৪৭), এবং যুক্তফ্রন্ট (১৯৫৪) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যুক্তফ্রন্টের ঐক্য গঠনে এবং ২১ দফা ভিত্তিক কর্মসূচি তার অবদান অগ্রগণ্য। তিনি গণতন্ত্রের প্রশ্ন ছিলেন আপসহীন এবং অবিভক্ত বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা।অতএব উদ্দীপকে ইঙ্গিত পূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য, কৃতিত্ব এবং জীবনবাসনের ঘটনা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে অভিন্ন ভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। আর তাই নিশ্চিত ভাবে বলা যায়, উত্তর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।