“রাষ্ট্র পরিচালনায় মূলনীতিগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম”- মূল্যায়ন কর।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানটি মূলত ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানকে নির্দেশ করে।বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধানের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানও অন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি লিখিত সংবিধান। এ সংবিধানের ধারাগুলো সব লিখিত আকারে আছে। এতে ১টি প্রস্তাবনা, ১১ ভাগ, ৭টি তফসিল ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এটি দুষ্পরিবর্তনীয় প্রকৃতির। সংবিধানের কোনো ধারা বা বিধানসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা রহিতকরণের জন্য জাতীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন হয়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করা হয়েছে। যা এ সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মৌলিক অধিকার খর্ব হবে এমন কোনো আইন সংসদ প্রণয়ন করতে পারবে না। এসব মৌলিক অধিকার আদালত দ্বারা বলবৎযোগ্য। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশকে একটি এককেন্দ্রিক গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা। সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিপরিষদ হবে শাসনকার্য পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি। সংবিধান এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার বিধান রাখা হয় এবং এই আইনসভার নাম রাখা হয় জাতীয় সংসদ। এ সংবিধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
“রাষ্ট্র পরিচালনায় মূলনীতিগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম”- মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর