উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবস্থা বলতে মৌলিক অধিকারকে বুঝানো হয়েছে। নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা বিকাশ ও স্বাধীনতা উপভোগ করার ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ অধিকারসমূহ একদিকে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায় অন্যদিকে, বাক ও চিন্তার স্বাধীনতা, সম্পত্তি ভোগের স্বাধীনতা, ধর্মীয় চিন্তার স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। মৌলিক অধিকার জনগণের জীবন ও সম্পত্তির নিশ্চয়তা দেয়।
নাগরিকের মৌলিক অধিকারসমূহ সংবিধানে উল্লেখ থাকায় এবং তা সুরক্ষারব্যবস্থা থাকায় শাসকের কিংবা সমাজের রাঘব বোয়ালদের থাবা থেকে সাধারণ নাগরিকগণ নিরাপদ থাকে। চিন্তা ও বাক স্বাধীনতা থাকায় গণতান্ত্রিকব্যবস্থা বিকশিত হয়। মৌলিক অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকায় শাসক সবসময় অদৃশ্য একটি দায়িত্ববোধ অনুভব করে যা তাকে স্বৈরাচার থেকে নিবৃত্ত করে।
পরিশেষে বলা দরকার যে, মৌলিক অধিকার বঞ্চিত অর্থ হলো এক ধরনের পরাধীনতা।