শেয়ারFacebookWhatsApp

বঙ্গভঙ্গের সময় পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম গর্ভনর কে ছিলেন?

উত্তর: বঙ্গভঙ্গের সময় পূর্ব বঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন- বামফিল্ড ফুলার।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

বঙ্গভঙ্গের সময় পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম গর্ভনর কে ছিলেন?

রাজশাহী কলেজ · 2024

উত্তর

বঙ্গভঙ্গের সময় পূর্ব বঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন- বামফিল্ড ফুলার।

উত্তর

বেঙ্গল প্যাক্ট একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে সম্পাদিত হয়েছিল। চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও উদার মনের রাজনীতিবিদ। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, বাংলার শতকরা ৬০ জন মানুষ মুসলমান। অথচ সরকারি চাকরি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত ও স্বাধীন করতে হলে প্রয়োজন হিন্দু-মুসলমান ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। এজন্য তিনি স্যার আব্দুর রহিম, স্যার আব্দুল করিম, মাওলানা আকরাম খান, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, মৌলভী মজিবর রহমান প্রমুখ মুসলমান নেতার সাথে আলাপ-আলোচনার পর ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদন করেন। এর ফলে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। মুসলমান জনগণের চাকরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রশ্ন চিহ্নিত স্থানে সংবিধান হবে নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো: সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য লিখিত ও অলিখিত বিধি-বিধানের সমষ্টি। একটি রাষ্ট্রের সংবিধানে শাসকের ক্ষমতা, সিগন্তের অধিকার ও কর্তব্য এবং উভয়ের সম্পর্কের প্রকৃতি সুস্পষ্টরূপে লেখা থাকে | উদ্দীপকে দেওয়া আছে লিখিত, জাতীয়তাবাদ ,গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, মৌলিক অধিকার ,ধর্মনিরপেক্ষতা যেগুলো মূলত বাংলাদেশ সংবিধানের প্রকৃত ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য: ১. লিখিত সংবিধান : বাংলাদেশ সংবিধান লিখিত। ১৫৩টি অনুচ্ছেদবিশিষ্ট ৮২ পৃষ্ঠার এ সংবিধান ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর একটি প্রস্তাবনাসহ ৪টি তফসিল ছিল। ২. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান : বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়। সাধারণত সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করানো যায়। ৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ৪ জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই মূলনীতিগুলে আদালত কর্তৃক বলবৎ যোশা না হলেও এবং এগুলো আইনের মর্যাদা ভোগ না করলেও রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম পরিচালনার সময় এসব ও প্রভাবান্বিত হবেন। ৪ মৌলিক অধিকার : মৌলিক অনিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। সুতরাং সংবিধানে মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ করায় এগুলোর গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। জীবনধারণের অধিকার সর্বোচ্চ আইন। সুতরাং সংবিধানে মৌধিকার, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, ধর্ম চর্চার অধিকার, সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি মৌলিক অধিকার সংবিধানে স্বীকৃত হয়। ৫. এককেন্দ্রিক শাসন: সংবিধানে বাংলাদেশকে একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কে সরকারই সব ক্ষমতার অধিকারী। কেন্দ্রীয় আইনসভাই সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। ৬. প্রজাতন্ত্র: বাংলাদেশ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। রাষ্ট্রপতি হবেন রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর নামে রাষ্ট্রের শাসন কাজ পরিচালিত ৭. সংবিধানের প্রাধান্য: সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানে 'অনুচ্ছেদ ৭'-এ বলা হয়েছে। সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও সালে অমতার মুঅিভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই যে, "প্রজাতন্ত্রের হবে। রাষ্ট্রপ্রধান জাতীয় সংসদের সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হন। ৯. সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য সংবিধানের 'অনুচ্ছেদ ৭খ'-তে বলা হয়েছে লে"সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগে সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলি সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একান ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলি সংযোজন, পরিবর্ত প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে"। ১০. সংসদীয় গণতন্ত্র: বাংলাদেশ সংবিধানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধী মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসনকার্য পরিচালনার ভার অর্পণ করা হয়। জাতীয় সংসদ সমস্ত ক্ষমতার উৎস। মন্ত্রিসভার সদস্যগ একক এবং যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী। প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধান প্রধানমন্ত্র পরামর্শমত কাজ করেন। ইত্যাদি। পরিশেষে, সংবিধান বলতে কতোগুলো লিখিত বা অলিখিত মৌলিক বিধিমালাকে বোঝায় । যা কোন রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্ম্পক নির্ণয় করে এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহারের ও বণ্টনের নীতি নির্ধারণ করে । আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য সংবিধান এক অপরিহার্য দলিল ।

উত্তর

উদ্দীপকে সংবিধানের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উল্লেখিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হচ্ছে চারটি। সেগুলো হচ্ছে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা : ১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানের ১২নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হয়েছিল। মূল সংবিধানে বলা হয়েছিল যে, বাংলাদেশে কোনো বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না। জনগণের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ধর্মের অপব্যবহার বিলোপ করা হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী ধর্ম পালন, চর্চা ও প্রচার করতে পারবে। কোনো বিশেষ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির প্রতি বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বা তার প্রতি কোন বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে না। ২০১১ সালে প্রণীত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইনে বলা হয়েছে যে, 'ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য ১. সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, ২.রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, ৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার ৪.কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে'। ধর্ম নিরপেক্ষতা ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের প্রাথমিক সংবিধানের চারটি প্রধান মূল ভিত্তির মধ্যে একটি।ধর্ম নিরপেক্ষতা ভিত্তিটি ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সংবিধান থেকে সরিয়ে ফেলেন যা পুনঃস্থাপন করেন " পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র উপর " দ্বারা এবং ১৯৮৮ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ আদালতধর্ম নিরপেক্ষতাকে সংবিধানের একটি মূল মতবাদ হিসাবে পুনঃস্থাপন করেন। তবে ইসলাম রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে বহাল ছিল।বাংলাদেশর ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ মুসলিম,বাকি অংশ হচ্ছে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য।বছরজুড়ে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ধর্ম নিরপেক্ষ অনুষ্ঠান উৎযাপন করে। দক্ষিণ এশিয়ার ধর্ম নিরপেক্ষতা পশ্চিমা দের থেকে অনেক ক্ষেত্রেই পৃথক যেখানে তারা নিশ্চিতভাবে রাষ্ট্র এবং উপাসনালয়কে পৃথক অবস্থায় রাখে। এর পরিবর্তে এখানে কোন রাষ্ট্র বা সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের স্বীকার না হয়ে যেকোনো ধর্ম চর্চা করা একটি ব্যক্তির স্বাধীনতা । স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো নিয়মনীতি ছিল না। হয় ব্রিটিশ, নয়তো পাকিস্তান এই দুই নীতিতেই চলেছে, কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র ১০ মাসেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধান রচনা করে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর শব্দ উপহার দেন, যার নাম 'ধর্মনিরপেক্ষতা'। বাংলাদেশের মানুষ সবসময়ই ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিল। যদি আমরা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ হতে শুরু করে আধুনিক যুগের দিকে তাকাই, তাহলে দেখবো বাঙালি ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসই শুধু করে না তারা ধর্মনিরপেক্ষতাকে পছন্দও করে। সাম্প্রদায়িক চিন্তা কখনোই মানুষের সঙ্গে মানুষকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে দেয় না। কেবলই মানুষের সঙ্গে মানুষের বিভেদ সৃষ্টি করে, দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। একটি রাষ্ট্র যখন গঠিত হয়, তখন সেখানে নানা সম্প্রদায়ের লোক এসে ভির জমায়। এই নানা সম্প্রদায়ের ভাব-ভাষা-সংস্কৃতিও হয় নানা রকমের। আর এজন্যই পৃথিবীর প্রায় সকল রাষ্ট্রেই বর্ণিল সংস্কৃতি দেখা যায়। এই বহুবর্ণতাই রাষ্ট্রের প্রাণ। ওই বহুবর্ণতা চাই বলেই আমরা ক্রসেড কিংবা জেহাদ চাই না, আল-কায়েদা কিংবা বকোহারাম চাই না, চাই না তালেবান কিংবা আইএস-আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের মতো ভয়ঙ্কর জঙ্গী সংগঠন। ধর্মনিরপেক্ষতা এই বহুবর্ণ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রেখে রাষ্ট্রীয় ঐক্য বা ভৌগোলিক ঐক্য টিকিয়ে রাখে।
HSCCivics 2nd Paperরাজশাহী কলেজ 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।