লাহোর প্রস্তাবের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদোশের বীজ, নিহিত ছিল, বক্তব্যটির সাথে একমত,
১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবটি শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, এই প্রস্তাবের মূল বিষয় ছিল মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠন করা।
লাহোর প্রস্তাব শুধু পাকিস্তানের ভিত্তি ছিলনা - এটি পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালি ড্যাতীয়তাবাদী আন্দোলনেরও অন্যতম ভিত্তি, লাহোর প্রস্তাবে শুধু মুসলমানদের জন্য একাধিক রাষ্ট্র গঠনের দাবি করা হয়নি, বরং এর অন্যতম প্রধান দাবি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসন, লাহোর প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তা প্রতিফলিত হয় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে, এছাড়া ১৯৬৬ সালের ছয় দফা কর্মসূচিতে লাহোর প্রস্তাবের সরাসরি উল্লেখ রয়েছে। লাহোর প্রস্তাবের মূলধারাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয় যে, লাহোর প্রস্তাবের উদম্যই ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের উৎসাহ, লাহোর প্রস্তাবের উদ্যোক্তাগণ দুটি মুসলিম রাষ্ট্র স্থাপনের কথা বলেছিলেন, যার কারণে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়, পাকিস্তান রাষ্ট্র থেকেই বাংলাদেশের সৃষ্টি, পাকিস্তান রাষ্ট্র নাহলে এতবড় ভূখন্ডের ভারতবর্ষ থেকে বাংলাদেশ হওয়া সম্ভব হতো না, তা লাহোর প্রস্তাবের সংঘটিত বাঙালিই পরবর্তীতে বাংলাদেশ নামক নতুন দেশের জন্য লড়াই করেছিল, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯ সালের ১১ দফা এসবই লাহোর প্রস্তাবভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা তরেকটি তীব্র প্রতিবাদ।