উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত অংশে আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যার কতগুলো বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক বিকাশের ইতিহাসে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ সংবিধান। এ আইনে ৪১টি অংশ, ১০টি তালিকা এবং ৩২১টি ধারা ছিল। এছাড়া সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, গভর্নর জেনারেল, কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রভৃতি ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা উদ্দীপকেও উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১৯৩৫ সালের ভারতশাসন আইনের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও এ আইনের আরও কতগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন— শাসনক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন, দীর্ঘ ও জটিল সংবিধান, যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত গঠন, উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, দুষ্পপরির্তনীয় সংবিধান ইত্যাদি। এছাড়া মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব, প্রাদেশিক আইনসভার প্রতিনিধিত্ব, রাজ প্রতিনিধির পদ, ব্রহ্মদেশকে বিচ্ছিন্নকরণ, নতুন প্রদেশের সৃষ্টি, আইন সংশোধনের ক্ষমতা, ভোটাধিকার সম্প্রসারণ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।