শেয়ারFacebookWhatsApp

লক্ষ্ণৌ চুক্তি কী?

উত্তর: ১৯১৬ সালে বোম্বাই অধিবেশনে সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিই লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। → লক্ষ্মৌ প্যাক্ট/লক্ষ্মৌ চুক্তি : প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকলেও ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। এ সময় ভারতে রাজনৈতিক চেতনার বৃদ্ধি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও দায়িত্বশীল সরকারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ১৯১১ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ, ১৯১৪ সালে বলকান যুদ্ধে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের মনোভাব ভারতীয় মুসলমানদেরকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। অপরদিকে স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে। অপরদিকে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে । ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু মুসলমানদের অসন্তোষ এ দুটি সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে। এ প্রেক্ষিতে ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌতে জাতীয় কংগ্রেস ও নিখিল ভারত মুসলিম লীগ যৌথভাবে এক সভায় মিলিত হয় এবং চুক্তি স্বাক্ষর করে, ঘা লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। এ চুক্তি সম্পাদনে সর্বভারতীয় মুসলি লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা ছিল অনন্য। পরিশেষে বলা যায় যে, মুসলমানদের ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি ছিল হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠর ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী পদক্ষেপ। এর ফলেই মুসলমানদের পৃথক নির্বাচন ও হিন্দু মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

লক্ষ্ণৌ চুক্তি কী?

উদ্দীপক

জনাব শিমুল শ্রেণিকক্ষে বলেন, খামার পাথরিয়া অঞ্চলে প্রধানত দুটি ধর্মের লোক বাস করত। এ দুটি ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দলের অধিবেশনে একটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি শেষের বক্তব্যে বলেন যে, উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে খামার পাথরিয়া অঞ্চলটি ধর্মের ভিত্তিতে ২টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

রাজশাহী কলেজ · 2024

উত্তর

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করা হয় জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিসের সময়ে।

উত্তর

১৯১৬ সালে বোম্বাই অধিবেশনে সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিই লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। → লক্ষ্মৌ প্যাক্ট/লক্ষ্মৌ চুক্তি : প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা থাকলেও ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। এ সময় ভারতে রাজনৈতিক চেতনার বৃদ্ধি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও দায়িত্বশীল সরকারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ১৯১১ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ, ১৯১৪ সালে বলকান যুদ্ধে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের মনোভাব ভারতীয় মুসলমানদেরকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। অপরদিকে স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে। অপরদিকে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করে । ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু মুসলমানদের অসন্তোষ এ দুটি সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে। এ প্রেক্ষিতে ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌতে জাতীয় কংগ্রেস ও নিখিল ভারত মুসলিম লীগ যৌথভাবে এক সভায় মিলিত হয় এবং চুক্তি স্বাক্ষর করে, ঘা লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। এ চুক্তি সম্পাদনে সর্বভারতীয় মুসলি লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা ছিল অনন্য। পরিশেষে বলা যায় যে, মুসলমানদের ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি ছিল হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠর ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী পদক্ষেপ। এর ফলেই মুসলমানদের পৃথক নির্বাচন ও হিন্দু মুসলিম সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি আমার পাঠ্যপুস্তক 'পৌরনীতি ও সুশাসন'এ উল্লেখিত "জিন্নাহর দ্বিজাতিতত্ত্ব" ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নিম্নে বর্ণনা করা হলো : ১৯২৮ সালে 'নেহেরু বিপোদে প্রকাশির মরার পর থেকে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ততর হতে থাকে। ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের মূল প্রদেশকালোরা মন্ত্রিসভায় মুসলমান প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে কংগ্রেস ও মুসলমা তিক্ততার সৃষ্টি হলে ভারতীয় মুসলিম জনগণ তাদের ভাগ্য সম্পর্কে নিরাশ হয়ে পড়ে। এ সময়ে মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ বিধেয় করে মি. জিন্নাহ্ অনুভব করেন যে, অখণ্ড ভারতে মুসলমানদের ভাগ্য কোনো দিনই নিশ্চিত হবে না। এর ফলে তিনিতোষ 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' উদ্ভাবন করেন। মি. জিন্নাহ ঘোষণা করেন যে, "ইসলাম ও হিন্দুবাদের প্রকৃত স্বরূপ আমাদের হিন্দু বন্ধুরা কেন বুঝতে পারেন না, আমি তা বুঝি না। ইসলাম ও হিন্দুবাদ শুধু ধর্মই নয়, প্রকৃতপক্ষে দুটি ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট সামাজিক ব্যবস্থাও বটে। মুসলমানও আমি তাগণ কখনো এক জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে, এটা আশা করা নিছক স্বপ্নতুল্য। একটি অভিন্ন ভারতের স্রান্ত হিল তার সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এ ভ্রান্ত ধারণাই আমাদের অধিকাংশ দুর্ভাগ্যের কারণ এবং সময়মত এ ধারণা সংশোধন করতে না পারলে তা ভারতকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে। হিন্দু ও মুসলিম জনগণ দুটি পৃথক ধর্মীয় দর্শন, সামাজিক আচার-আচরণ এবং সাহিত্যের অধিকারী। তাদের সভ্যতা আলাদা এবং পরস্পর বিরোধী ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-ভাবনাকে আশ্রয় করে সে সভ্যতা গড়ে উঠেছে। জীবনের প্রতি এবং জীবন সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। হিন্দু ও মুসলিম জনগণ অনুপ্রেরণা লাভ করে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা থেকে। তাদের মহাকাব্য ভিন্ন, পূজনীয় বীর আলাদা এবং আলাদা তাদের সুখ-দুঃখের কাহিনী। প্রায়শ একের কাছে যিনি বীররূপে আদূত, অন্যের কাছে তিনি শত্রু বলে ঘৃণিত। অনুরূপভাবে একের কাছে যা জয়, অন্যের কাছে তা পরাজয় বলে বিবেচিত। একটি সংখ্যালঘু এবং অপরটি বিপুলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ । এরূপ দুটি জাতিকে একটি অভিন্ন রাষ্ট্রের জোয়ালে বাঁধলে ক্রমান্বয়ে তা অসন্তোষ বৃদ্ধির দিকেই এগিয়ে যাবে এবং এরূপ রাষ্ট্রের প্রয়োজনে গঠিত কাঠামোরও চূড়ান্ত ধ্বংস ডেকে আনবে। "২০ সুতরাং জিন্নাহ দাবি করেন যে, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি পৃথক জাতি। ভারতের মুসলমানরা একটি পৃথক জাতি। তাই তাদের প্রয়োজন একটি পৃথক আবাসভূমি বা রাষ্ট্রের।" ১৯৪০ সালের জানুয়ারি মাসে মি. জিন্নাহ মন্তব্য করেন যে, ভারতে দুটি জাতি রয়েছে এবং মাতৃভূমির শাসন ব্যবস্থায় উভয় জাতির অংশগ্রহণ থাকতে হবে। দ্বিজাতি তত্ত্ব হল এমন একটি মতাদর্শ যেখানে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রাথমিকভাবে কেবলমাত্র তাদের ধর্মের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমান এবং হিন্দু দুটি স্বতন্ত্র জাতীয়তার পরিচয় দেয়া হয়েছে, এবং যেখানে ভাষা, বর্ণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্টের তুলনায় ধর্মকে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়েছে। পাকিস্তান আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের অন্যতম কারণ ছিলো এই দ্বিজাতি তত্ত্ব।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব শিমুলের শেষের বক্তব্যটি হল উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে খামার পাথরে অঞ্চলে ধর্মের ভিত্তিতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।ব্যাখ্যা করা হলো : উদ্দীপকে জনাব শেমু শ্রেণিকক্ষে বলেন খামার পাথরে অঞ্চলে প্রধানত দুটি ধর্মের লোক বাস করত এ দুটি ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দলের অধিবেশনে একটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন তিনি শেষের বক্তব্য বলেন বক্তব্য প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আমার পাথরের অঞ্চলে ধর্মের ভিত্তিতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় উল্লেখিত ঘটনা। দ্বিজাতি তত্ত্ব হল এমন একটি মতাদর্শ যেখানে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রাথমিকভাবে কেবলমাত্র তাদের ধর্মের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমান এবং হিন্দু দুটি স্বতন্ত্র জাতীয়তার পরিচয় দেয়া হয়েছে, এবং যেখানে ভাষা, বর্ণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্টের তুলনায় ধর্মকে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়েছে। পাকিস্তান আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের অন্যতম কারণ ছিলো এই দ্বিজাতি তত্ত্ব। এবং এই দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। দুটি স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান নামে দেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভারত অধিরাজ্য বর্তমান সময়ে ভারতীয় প্রজাতন্ত্র; পাকিস্তান অধিরাজ্য বর্তমান সময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসাবে পরিচিত। বিভাজনের ঘটনাটি জেলা-ভিত্তিক অমুসলিম বা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশের বিভাজনের সাথে জড়িত ছিল। ভারত বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী, রাজকীয় ভারতীয় নৌবাহিনী, ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস, রেল ও কেন্দ্রীয় কোষাগারও বিভক্ত করে দেওয়া হয়। এই বিভাজনটি ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭-এ বর্ণিত হয়েছিল এবং এর ফলে ভারতে ব্রিটিশ রাজ বা ক্রাউন শাসনের অবসান ঘটে। দুটি স্ব-শাসিত দেশ ভারত ও পাকিস্তান আইনত ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে অস্তিত্ব লাভ করে। স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলা রাষ্ট্র' গঠনের প্রস্তাব এবং এর ভবিষ্যৎ সংবিধানের রূপরেখা প্রকাশিত হলে 'হিন্দু মহাসভ কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়াশীল ও ধর্মান্ধ অবাঙালি নেতাগণ এর বিরোধিতা শুরু করেন। এসব সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধ নেতাগণ ভার বিভক্তির সাথে সাথে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভক্তিরও দাবি জানান। ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মুসলিম লীগের কাউন্সি অধিবেশনে মি. জিন্নাহর প্ররোচনায় অবাঙালি মুসলিম লীগ নেতাদের সমর্থনে ভারত বিভক্তি সংক্রান্ত মাউন্টব্যাটেনের '৩ জ পরিকল্পনা' গৃহীত হয়। বাংলা প্রদেশের অধিবাসী হয়েও খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মওলানা আকরাম খান সেদিন জিন্নাহকে সমর্থন করেছিলেন, অখণ্ড বাংলাকে নয়। তবে আবুল হাশিমসহ ৭ জন প্রতিনিধি এ সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিব করেছিলেন। ৩২ এর ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত বিভক্ত হয় এবং এর পাশাপাশি বাংলা বিভক্ত হয়ে পূর্ব অভ 'পাকিস্তানের' সাথে এবং পশ্চিম অংশ ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়।
HSCCivics 2nd Paperরাজশাহী কলেজ 2024
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

  • জনসচেতনতা
  • গণ নিরবতা
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ
  • সাধীন বিচার ব্যবস্থা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

  • ১০
  • ১২
  • ১৪
  • ১৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

  • সমঝোতা ও সহযোগিতা
  • বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতা
  • জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উদারনীতি
  • অন্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

  • ও.আই.সি
  • ওপেক
  • ই.ইউ
  • ও.এ.ইউ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

  • ১২
  • ১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

  • দ্বাদশ
  • ত্রয়োদশ
  • চতুর্দশ
  • পঞ্চদশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

  • শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  • হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  • মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

  • দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  • কৃষক-প্রজা তত্ত্ব
  • প্রজাস্বত্ব
  • স্বদেশী তত্ত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।