উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত পাঠ্য বইয়ের ১৯০৫ সালের সংগঠিত বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে। অবিভক্ত বাংলার আয়তন ছিল প্রায় দুই লক্ষ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি। এ বিশাল আয়তনের প্রদেশের শাসন কার্য পরিচালনা করার জন্য একজন গর্ভনরের পক্ষে নিত্যান্তই দূরহ ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল ্তাছাড়া পূর্ব বাংলার জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে মুসলিম নেতৃত্ববৃন্দ পূর্ব বাংলাকে আলাদা প্রদেশ রূপে গড়ে তোলার জন্য ব্রিটিশ সরকার নিকট দাবি উত্থাপন করেন। তাই প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধার কথা চিন্তা করে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ করেন।উদ্যোগে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ ভারতের X প্রদেশের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল। একজন প্রশাসকের একার পক্ষে সুষ্ঠুভাবে শাসন কার্য পরিচালনা করা ছিল অসম্ভব। ফলে কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন কারণে দেখিয়ে উত্তর প্রদেশ থেকে দুটি আলাদা প্রদেশ বিভক্ত করে দুজন প্রশাসক নিয়োগ করেন। উদ্দীপকের এর বর্ণনার মাধ্যমে ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধুর মিল পাওয়া যায়।কারণ বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমেই বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে দুটি পৃথক তোদের সৃষ্টি করা হয়। এর মাধ্যমে সহজে বুঝা যায় , উদ্দীপকে বঙ্গভঙ্গের কথাই বলা হয়েছে।