উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। ভারতের শাসনতান্ত্রিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হয় ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে। ১৯১৪ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারকে সাজে সহযোগিতা করে নিজেদের স্বায়ত্তশাসন প্রদানের অঙ্গীকারের মাধ্যমে। এ প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ভারত সচিব মন্টেগু ভারতবর্ষের বড় লার্ট মি. চেমসফোর্ডের সাথে ভারতের ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক রূপরেখা প্রণয়ন করে। তাদের গৃহীত এ সিদ্ধান্ত ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারত শাসন আইন ১৯১৯ নামে পাশ হয়। এ আইনের অন্যতম কিছু বৈশিষ্ট্য হল ক্ষমতার বন্টন, প্রদেশের দৈত্য শাসন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, ভারত সচিবের ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি। উদ্দীপকের ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে বৈশিষ্ট্যগুলোতে বলা হয়েছে,এখানে রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপকসভা , প্রদেশের দ্বৈত শাসন, ভারতীয় হাই কমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের সমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা যায়। এরূপ বৈশিষ্ট্য গুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কতিপয় বৈশিষ্ট্য গুলোকে উপস্থাপন করে। কেননা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা পরিণত করা হয়, যার উচ্চকক্ষ ছিল রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ ছিল ব্যবস্থাপক সভা। এ আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রদেশের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। এর মাধ্যমে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া এই আইনের মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেনে বসবাসরত জাতীয় জনগণের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য ভারতীয় হাই কমিশনারের পথ সৃষ্টি করা হয় এবং ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়।