উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ব্যক্তিত্ব তথা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন খাঁটি বাঙালি। তাকে খাঁটি বাঙালি বলার অন্যতম কারণ তিনি ছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্রদূত। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, রাজনৈতিক পদক্ষেপ, চিন্তা চেতনা, বক্তব্য সর্বত্রই ছিল বাঙালিয়ানা ও একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ফজলুল হকের মনের হিন্দু মুসলমান সবার জন্য সমান কল্যাণকামী স্বপ্ন লালিত হতো। তিনি সবসময় বাঙালির জন্য, বাঙালি সাহিত্য সংস্কৃতির জন্য সোচ্চার ছিলেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে বীজ রোপিত হয়েছিল তা পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সুদৃঢ় হয়ে ওঠে। ডালভাতের কর্মসূচি বাঙালির নিজস্ব সৃষ্টি।এর প্রবক্তা সব বাঙালি হৃদয়ের একান্ত আপনজন, বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে অগ্রপথিক, বাঙালি কৃষকের মুক্তির কান্ডারী ফজলুল হক। তার চিন্তা, চেতনা, কর্ম, উদ্দেশ্য, অবস্থান সবই ছিল বাঙালিকেন্দ্রিক। আর তাই মানবতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক ফজলুল হককে নিয়ে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বলেন," মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক একজন খাঁটি বাঙালি। "