উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটি অর্থাৎ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝে পর্যায়ক্রমে তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে যে খড়সা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল তার ওপর ভিত্তি করে ১৯৩৫ সালে যে আইন পাশ হয় তাকে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন বলে। উদ্দীপকে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও গর্ভনর জেনারেলের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করেছে।নিচে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো -
১. সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র : ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের গঠনের উদ্যোগ। তখন পর্যন্ত ভারতে এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এ আইনের ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশ ও মিত্র দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করা হয়।
২. যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত :১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। একজন বিচারপতি এবং কয়েকজন বিচারক নিয়ে এই আদালত গঠিত হবে -যার দায়িত্ব হবে সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের বিরোধের মীমাংসা করা। তবে ব্রিটিশ প্রিভি- কাউন্সিলের বিচার কমিটির চূড়ান্ত আপেল আদালত হিসেবে বহাল থাকে।