উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করে।
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন গৃহীত হয়। এই আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি এবং কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন চালুর বিধান রাখা হয়েছিল।
১৯৩৫ সালের আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তিত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়সমূহের সংরক্ষিত এবং হস্তান্তরিত এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র, ধর্মীয় ইত্যাদি বিষয় সংরক্ষিত ছিল। গভর্নর জেনারেল তার ইচ্ছোধীন ক্ষমতা বলে এসব বিষয় পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি হস্তান্তরিত বিষয়ের মধ্যে ছিল শিক্ষা স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা ইত্যাদি, যা গভর্নর জেনারেল মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালনা করতেন। এই আইনের মাধ্যমে প্রদেশগুলোকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়। এর ফলে প্রাদেশিক সরকারগুলো তাদের নিজ নিজ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করার অধিকার পায়। এ আইনে কয়েকটি প্রদেশে যেমন বোম্বাই, মাদ্রাজ, বাংলা, যুক্তপ্রদেশ, বিহার ও আসামে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার ব্যবস্থা রাখা হয়। আর বাকি প্রদেশগুলোতে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রাখা হয়। ভারত শাসন আইন উড়িষ্যা ও সিন্ধু নামে দুটি নতুন প্রদেশের সৃষ্টি করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো, যেমন- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, নতুন প্রদেশ সৃষ্টি এবং কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন চালু ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান দিকগুলো। এই কারণে, উদ্দীপকটি আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করে যা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।