শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে কোন আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? এর প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর: উদ্দীপকে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অর্থাৎ 'মন্টেগু- চেমসফোর্ড সংস্কার আইন' এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে ভারতীয়দের স্বায়ত্তশাসনের দাবির মুখে এবং পর্যায়ক্রমে অধিকতর দায়িত্বশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন পাশ করা হয়। যা স্পষ্টভাবে ভারত শাসন আইন ১৯১৯' এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। নিচে উক্ত আইনের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হলো- ১. হাইকমিশনার এর পদ সৃষ্টি: এ আইনে ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি ব্রিটেনে ভারতীয় ছাত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করতেন । তিনি ৫ বছরের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক নিয়োগ লাভ করতেন। ২. দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা: এ আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভায় রূপান্তরিত করা হয়। উচ্চ কক্ষের নামকরণ হতেন করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ (Council of State) এবং নিম্ন কক্ষের নামকরণ করা হয় ব্যবস্থাপক সভা (Legislative Assembly)। উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা ছিল ৬০ জন, যার ৩৪ জন নির্বাচিত এবং বাকি. ২৬ জন গভর্নর জেনারেল কর্তৃক মনোনীত হতেন। একইভাবে নিম্ন কক্ষের মোট ১৪৫ জন সদস্যের মধ্যে ১০৫ জন ছিলেন নির্বাচিত এবং বাকি ৪০ জন ছিলেন মনোনীত। ৩. প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা: এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এ ব্যবস্থা অনুসারে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়ে ভাগ করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা, অর্থ, রাজস্ব প্রভৃতি বিষয়সমূহ সংরক্ষিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অপরদিকে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্বায়ত্তশাসন প্রভৃতি বিষয়গুলো ছিল হস্তান্তরিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। সংরক্ষিত বিষয়গুলো প্রাদেশিক গভর্নর তার শাসন পরিষদের মাধ্যমে শাসন করতেন। এক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রিপরিষদের কোনো পরামর্শ নিতেন না। পক্ষান্তরে হস্তান্তরিত বিষয়গুলো প্রাদেশিক গভর্নর তার মনোনীত সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শক্রমে শাসন করতেন।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে কোন আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? এর প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট…

উদ্দীপক

ভারতীয়দের স্বায়ত্তশাসনের দাবির মুখে এবং পর্যায়ক্রমে অধিকতর দায়িত্বশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন পাস করা হয়।

Dhaka · 2019

উত্তর

'ভারত শাসন আইন ১৮৫৮'–এর মাধ্যমে ভারতে কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে।

উত্তর

স্বদেশি আন্দোলন ছিল ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের আগ্রাসী বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি গণজাগরণ ও সচেতনতামূলক আন্দোলন। এ আন্দোলনের ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নতি সাধন হয়েছিল। স্বদেশি আন্দোলনের উৎস ছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী গণজাগরণ, যা ১৯১১ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ পর্যন্ত বহাল ছিল। এই আন্দোলন ছিল প্রাক গান্ধী যুগের সফলতম আন্দোলনগুলোর মধ্যে অন্যতম। স্বদেশি আন্দোলনের মূখ্য প্রবক্তাগণ ছিলেন অরবিন্দ ঘোষ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাল গঙ্গাধর তিলক, লালা রাজপুত রায় প্রমূখ । পরবর্তীকালে মহাত্মা গান্ধী এ আন্দোলনের কৌশলকে গ্রহণ করে এটিকে স্বরাজ এর আত্মারূপে বর্ণনা করেন। এ আন্দোলন সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল বাংলা প্রদেশে এবং এটিকে 'বন্দে মাতরম' আন্দোলনও বলা হত।

উত্তর

উদ্দীপকে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অর্থাৎ 'মন্টেগু- চেমসফোর্ড সংস্কার আইন' এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে ভারতীয়দের স্বায়ত্তশাসনের দাবির মুখে এবং পর্যায়ক্রমে অধিকতর দায়িত্বশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন পাশ করা হয়। যা স্পষ্টভাবে ভারত শাসন আইন ১৯১৯' এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। নিচে উক্ত আইনের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হলো- ১. হাইকমিশনার এর পদ সৃষ্টি: এ আইনে ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি ব্রিটেনে ভারতীয় ছাত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করতেন । তিনি ৫ বছরের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক নিয়োগ লাভ করতেন। ২. দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা: এ আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভায় রূপান্তরিত করা হয়। উচ্চ কক্ষের নামকরণ হতেন করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ (Council of State) এবং নিম্ন কক্ষের নামকরণ করা হয় ব্যবস্থাপক সভা (Legislative Assembly)। উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা ছিল ৬০ জন, যার ৩৪ জন নির্বাচিত এবং বাকি. ২৬ জন গভর্নর জেনারেল কর্তৃক মনোনীত হতেন। একইভাবে নিম্ন কক্ষের মোট ১৪৫ জন সদস্যের মধ্যে ১০৫ জন ছিলেন নির্বাচিত এবং বাকি ৪০ জন ছিলেন মনোনীত। ৩. প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা: এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এ ব্যবস্থা অনুসারে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়ে ভাগ করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা, অর্থ, রাজস্ব প্রভৃতি বিষয়সমূহ সংরক্ষিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অপরদিকে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্বায়ত্তশাসন প্রভৃতি বিষয়গুলো ছিল হস্তান্তরিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। সংরক্ষিত বিষয়গুলো প্রাদেশিক গভর্নর তার শাসন পরিষদের মাধ্যমে শাসন করতেন। এক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রিপরিষদের কোনো পরামর্শ নিতেন না। পক্ষান্তরে হস্তান্তরিত বিষয়গুলো প্রাদেশিক গভর্নর তার মনোনীত সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শক্রমে শাসন করতেন।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইন অর্থাৎ ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে দায়িত্বশীল সরকার পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও ভারতের সাংবিধানিক সংস্কারে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ধাপে ধাপে ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। কেননা এ আইনে গভর্নর জেনারেল এবং প্রাদেশিক গভর্নরদের ক্ষমতা ছিল অপ্রতিরোধ্য। প্রাদেশিক সরকারের প্রশাসনিক বিষয়গুলোকে দু'ভাগে বিভক্ত করায় সরকারের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। যেকোনো দেশে দলব্যবস্থা সংসদীয় ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার পূর্বশর্ত। কিন্তু ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে প্রদেশে দ্বৈতশাসন কার্যকর করার সময় এমন দলব্যবস্থা ছিল না। মন্ত্রীগণ যৌথভাবে নিযুক্ত না হয়ে ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত হতেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকতেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভার দায়িত্বহীনতা, সংসদীয় ঐতিহ্যের অভাব, বিষয় বণ্টনের ত্রুটি, মন্ত্রিসভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ প্রভৃতি কারণে উক্ত আইনটি কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। এ আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে অথবা প্রদেশে কোথাও দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। তাই এ আইন ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো এ আইনকে অসম্পূর্ণ, অসন্তোষজনক এবং নৈরাশ্যজনক বলে ঘোষণা করে এবং প্রত্যাখ্যান করে। উপরের আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন দায়িত্বশীল সরকার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে এ আইন ছিল সাংবিধানিক সংস্কারে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
HSCCivics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

  • জনসচেতনতা
  • গণ নিরবতা
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ
  • সাধীন বিচার ব্যবস্থা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

  • ১০
  • ১২
  • ১৪
  • ১৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

  • সমঝোতা ও সহযোগিতা
  • বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতা
  • জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উদারনীতি
  • অন্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

  • ও.আই.সি
  • ওপেক
  • ই.ইউ
  • ও.এ.ইউ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

  • ১২
  • ১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

  • দ্বাদশ
  • ত্রয়োদশ
  • চতুর্দশ
  • পঞ্চদশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

  • শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  • হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  • মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

  • দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  • কৃষক-প্রজা তত্ত্ব
  • প্রজাস্বত্ব
  • স্বদেশী তত্ত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।