শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটির অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটি অর্থাৎ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝে পর্যায়ক্রমে তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে যে খড়সা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল তার ওপর ভিত্তি করে ১৯৩৫ সালে যে আইন পাশ হয় তাকে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন বলে। উদ্দীপকে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও গর্ভনর জেনারেলের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করেছে।নিচে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো - ১. সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র : ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের গঠনের উদ্যোগ। তখন পর্যন্ত ভারতে এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এ আইনের ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশ ও মিত্র দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। ২. যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত :১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। একজন বিচারপতি এবং কয়েকজন বিচারক নিয়ে এই আদালত গঠিত হবে -যার দায়িত্ব হবে সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের বিরোধের মীমাংসা করা। তবে ব্রিটিশ প্রিভি- কাউন্সিলের বিচার কমিটির চূড়ান্ত আপেল আদালত হিসেবে বহাল থাকে।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটির অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

Dhaka · 2021

উত্তর

কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে স্ব-স্ব কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের ব্যবস্থাকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে।

উত্তর

স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা হলো এক একচ্ছত্র আধিপত্য দাবি করা এবং কেবলমাত্র স্বীয় ইচ্ছাকেই এর আধিপত্যের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা। এ ক্ষমতার ভিত্তি হলো ক্ষমতার কোন প্রকার আইন নয়। একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিস্ট এবং কমিউনিস্ট উভয় প্রকার শাসন ব্যবস্থাতেই এই ক্ষমতার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব দাবি করেন। স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার বলে যেকোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উপেক্ষা করা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটি অর্থাৎ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝে পর্যায়ক্রমে তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে যে খড়সা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল তার ওপর ভিত্তি করে ১৯৩৫ সালে যে আইন পাশ হয় তাকে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন বলে। উদ্দীপকে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও গর্ভনর জেনারেলের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ আছে, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে নির্দেশ করেছে।নিচে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অন্য দুটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো - ১. সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র : ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো একটি সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের গঠনের উদ্যোগ। তখন পর্যন্ত ভারতে এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। এ আইনের ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশ ও মিত্র দেশীয় রাজ্যগুলোকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। ২. যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত :১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। একজন বিচারপতি এবং কয়েকজন বিচারক নিয়ে এই আদালত গঠিত হবে -যার দায়িত্ব হবে সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং কেন্দ্রীয় প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের বিরোধের মীমাংসা করা। তবে ব্রিটিশ প্রিভি- কাউন্সিলের বিচার কমিটির চূড়ান্ত আপেল আদালত হিসেবে বহাল থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঔপনিবেশিক সরকারের আইনগুলোর মাধ্যমে ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আইনটি হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ প্রদেশের স্বশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব মুক্ত থেকে প্রাদেশিক সরকারের স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাকে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলে। এক্ষেত্রে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর হয়নি এবং ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। কেননা প্রাদেশিক সরকারের শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় তালিকা, প্রাদেশিক তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা এ তিনটি তালিকায় বিভক্ত করে প্রাদেশিক তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর শাসনভার প্রাদেশিক সরকারের উপর অর্পণ করা হয় এবং প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার নিকট দায়িত্বশীল করে রাখা হয়। কিন্তু গর্ভনর জেনারেল হস্তক্ষেপ এবং কতিপয় আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসন এর কার্যকারিতা ফলপ্রসূ হয়নি। এর মূল কারণ সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। ফলে তৎকালীন কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং উপরে সার্বিক আলোচনা থেকে বলা যায়, ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল শূন্য।
HSCCivics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।