শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে কতটুকু সহায়ক ছিল? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি তথা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে সীমিত সহায়ক ছিল।প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রবল জোয়ারের মুখে ব্রিটিশ সরকার ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তন করে। যদিও এই আইন ব্রিটিশ কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা ভেদ করে ভারতীয়দের অংশগ্রহণের একটি দ্বার উন্মুক্ত করে, তথাপি বাস্তবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি গণতন্ত্রের বিকাশে আশানুরূপ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়। কারণ আইনটি ছিল দ্বৈত প্রকৃতির, সীমিত দায়িত্বশীলতা এবং নিয়ন্ত্রণের ফাঁদে আবদ্ধ। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক বিষয়ে 'সংরক্ষিত' ও 'হস্তান্তরিত' বিভাজনের মাধ্যমে দ্বৈতশাসনের ব্যবস্থা করা হয়। এটি গণতন্ত্রের বিকাশে অন্তরায় সৃষ্টি করে। কারণ 'হস্তান্তরিত' বিষয়ের উপর নির্বাচিত মন্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও 'সংরক্ষিত' গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ ছিল গভর্নরের হাতে। পাশাপাশি নির্বাচিত সদস্যদের উপস্থিতি সত্ত্বেও গভর্নর জেনারেলের আইনি ক্ষমতা, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা এবং আইনসভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা গণতান্ত্রিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করে। উপরন্তু, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে ধর্ম ও জাতিভেদে বিভাজন গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত সাম্যনীতি বিরোধী ছিল। যদিও নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু তা ছিল সীমিত ও প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের স্তরে। বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষমতা রয়ে যায় ব্রিটিশ শাসকদের হাজ্বে এবং ভারতীয়দের অংশগ্রহণ ছিল প্রতীকী মাত্র। ফলে আইনটি গণতান্ত্রিক বিকাশের কোনো কার্যকর ভিত্তি রচনা করতে পারেনি।অতএব বলা যায়, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন গণতন্ত্রের বীজ বপন করলেও বাস্তবে তা ব্রিটিশ স্বৈরশাসনকে বৈধতা দিয়েছিল, গণতন্ত্রের বিকাশে নয়।

HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে কতটুকু সহায়ক ছিল? তো…

উদ্দীপক

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এ উপমহাদেশে ব্রিটিশ প্রণীত একটি ভারত শাসন আইন পাশ হয়। এই আইনে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে 'সংরক্ষিত' ও 'হস্তান্তরিত' এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

Rajshahi · 2025

উত্তর

মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ১৯০৯ সালে প্রণয়ন করা হয়।

উত্তর

রাজনৈতিক ইতিহাসে দ্বিজাতি তত্ত্ব মুসলমানদের ভাগ্য উন্নয়নের এক যুগান্তকারী মাইলফলক। এ তত্ত্বের মূলকথা ছিল ভারতে মুসলমানরা যেকোনো বিচারে একটি স্বতন্ত্র জাতি এবং তাদের পৃথক জাতিসত্তা রয়েছে। এ পৃথক জাতিসত্তার স্বার্থরক্ষার জন্য ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি প্রয়োজন। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই রচিত হয় ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, যার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল বলে মনে করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রণীত আইনটির সাথে আমার পঠিত যে আইনের সাদৃশ্য আছে সেটি হলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন।উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এ উপমহাদেশে ব্রিটিশ প্রণীত একটি ভারত শাসন আইন পাস হয় যা প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে 'সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত' এ দুই ভাগে ভাগ করে। অর্থাৎ উদ্দীপকে যে ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে, তা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ যখন স্বশাসনের দাবিতে সোচ্চার হয়। তখন সেই প্রেক্ষাপটে প্রাদেশিক পর্যায়ে দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা চালু ও ভারতীয়দের প্রশাসনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯১৯ সালে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়, যা শাসনতান্ত্রিক বিকাশের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এ আইনের প্রথম বৈশিষ্ট্য ছিল দ্বৈত শাসনব্যবস্থা, যেখানে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে 'হস্তান্তরিত' ও 'সংরক্ষিত' বিভাগে ভাগ করা হয়। দ্বিতীয়ত, এতে দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার ধারণা তুলে ধরা হয়, যেখানে প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার সদস্যরা আইনসভার নিকট দায়বদ্ধ ছিলেন। তবে এই দায়বদ্ধতা ছিল সীমিত। তৃতীয়ত, সংসদীয় শাসনব্যবস্থার আংশিক সূচনা ঘটে, যেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সরকার গঠনের রূপরেখা তৈরি হয়। যদিও বাস্তবে গভর্নরের প্রাধান্য রয়ে গিয়েছিল, তবুও এটি ভারতীয় শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্রমুখী পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এভাবে ১৯১৯ সালের আইনটি ব্রিটিশ শাসনের কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দেয়।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি তথা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে সীমিত সহায়ক ছিল।প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রবল জোয়ারের মুখে ব্রিটিশ সরকার ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তন করে। যদিও এই আইন ব্রিটিশ কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা ভেদ করে ভারতীয়দের অংশগ্রহণের একটি দ্বার উন্মুক্ত করে, তথাপি বাস্তবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি গণতন্ত্রের বিকাশে আশানুরূপ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়। কারণ আইনটি ছিল দ্বৈত প্রকৃতির, সীমিত দায়িত্বশীলতা এবং নিয়ন্ত্রণের ফাঁদে আবদ্ধ। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক বিষয়ে 'সংরক্ষিত' ও 'হস্তান্তরিত' বিভাজনের মাধ্যমে দ্বৈতশাসনের ব্যবস্থা করা হয়। এটি গণতন্ত্রের বিকাশে অন্তরায় সৃষ্টি করে। কারণ 'হস্তান্তরিত' বিষয়ের উপর নির্বাচিত মন্ত্রীদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও 'সংরক্ষিত' গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ ছিল গভর্নরের হাতে। পাশাপাশি নির্বাচিত সদস্যদের উপস্থিতি সত্ত্বেও গভর্নর জেনারেলের আইনি ক্ষমতা, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা এবং আইনসভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা গণতান্ত্রিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করে। উপরন্তু, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে ধর্ম ও জাতিভেদে বিভাজন গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত সাম্যনীতি বিরোধী ছিল। যদিও নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু তা ছিল সীমিত ও প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের স্তরে। বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষমতা রয়ে যায় ব্রিটিশ শাসকদের হাজ্বে এবং ভারতীয়দের অংশগ্রহণ ছিল প্রতীকী মাত্র। ফলে আইনটি গণতান্ত্রিক বিকাশের কোনো কার্যকর ভিত্তি রচনা করতে পারেনি।অতএব বলা যায়, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন গণতন্ত্রের বীজ বপন করলেও বাস্তবে তা ব্রিটিশ স্বৈরশাসনকে বৈধতা দিয়েছিল, গণতন্ত্রের বিকাশে নয়।
HSCCivics 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনটি কার্যকর ভূমিকা রাখে না?

Dinajpur · 2017

  • জনসচেতনতা
  • গণ নিরবতা
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ
  • সাধীন বিচার ব্যবস্থা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার বাসনা, প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি কারণে দুর্নীতি সমাজ ব্যবস্থায় প্রসার লাভ করছে।Q. দুর্নীতির মাধ্যমে
i. আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না
ii. বিচার ব্যবস্থা কলুষিত হয়
iii. ভূমি ব্যবস্থনায় ধস নামেনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?

Dinajpur · 2017

  • ১০
  • ১২
  • ১৪
  • ১৬

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-
i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র
ii. কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয়
iii. একসময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.SAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে
i. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাস
ii. অবাধ বাণিজ্য এলাকা গঠন
iii. ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলানিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?

Dinajpur · 2017

  • সমঝোতা ও সহযোগিতা
  • বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতা
  • জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উদারনীতি
  • অন্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম কী?

Dinajpur · 2017

  • ও.আই.সি
  • ওপেক
  • ই.ইউ
  • ও.এ.ইউ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?

Dinajpur · 2017

  • ১২
  • ১৫

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?

Dinajpur · 2017

  • দ্বাদশ
  • ত্রয়োদশ
  • চতুর্দশ
  • পঞ্চদশ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে তিনি জাতির কাছে কীরূপ সম্মান লাভ করেন
i. জাতীয় নেতা
ii. জাতির পিতা
iii. জাতির বিবেকনিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii, ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারের জন্য সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের বেশির ভাগ সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়েই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোন নেতার তুলনা করা যায়?

Dinajpur · 2017

  • শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  • হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  • মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

Dinajpur · 2017

  • দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  • কৃষক-প্রজা তত্ত্ব
  • প্রজাস্বত্ব
  • স্বদেশী তত্ত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:মানুষের সীমাহীন লোভ, আত্মস্বার্বিশ্বের শতকরা কতভাগ মানুষ প্রতিবন্ধীতার সমস্যায় আক্রান্ত?কমনওয়েলথের বৈশিষ্ট্য হলো এর সদস্যগুলো-i. স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রii. কোনো সামরিকSAFTA এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেi. বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসii. অববাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়?ইসলামী ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার জন্য সর্ববৃহৎ মুসলিম সংগঠনটির নাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ন্যূনপক্ষে কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে?কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতানিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিন্মোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা'একজাতি একরাষ্ট্র' কোন তত্ত্বের মূলমন্ত্র?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে কতটুকু সহায়ক ছিল? তো… | Prosthuti