উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের যে অংশের মিল রয়েছে তার প্রধান প্রধান ৩ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে নবাবের তাম্বু ব্রিটিশের একটি উপনিবেশ ছিল। উক্ত উপনিবেশের শেষ ভাইসরয়ের পরিকল্পনার আলোকে ব্রিটিশ আইনসভা একটি আইন পাস করে। উক্ত আইনের ফলে নবাবের তাম্বুতে ব্রিটিশ রাজত্বের অবসান ঘটে। এই ঘটনাটি আমার পাঠ্য বই 'পৌরনীতি ও সুশাসন' এর ' ১৮৬১ সালের ভারতীয় আইন পরিষদ" অংশের সাথে মিল রয়েছে তার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো : ১৮৬১ সালের ভারতীয় পরিষদ আইনের প্রধান প্রধান ধারা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ: ১। আইনসভা গঠন: এ আইনে ভারতে সর্বপ্রথম একটি আইনসভা গঠনের বিধান এবং এতে ভারতীয় সদস্য মনোনয়ন দানের ব্যবস্থা করা হয়। ব্যবস্থাপক পরিষদের (Legislative Council) সদস্য সংখ্যা ১২ জন করা হয়। এর ফলে আইনসভা অর্থাৎ ব্যবস্থাপক পরিষদের আয়তন বৃদ্ধি পায়। এ আইনে বলা হয় যে, ভারতীয় সদস্যগণ গভর্নর জেনারেল কর্তৃক ভারতীয়দের মধ্য থেকে মনোনীত হবেন এবং তাঁরা 'বেসরকারি সদস্য' (non-official) বলে অভিহিত হবেন। ২। গভর্নর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদ: গভর্নর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদকে (Executive Council) সদস্যবিশিষ্ট করা হয়। এর মধ্যে ৩ জনকে অন্তত ১০ বছর ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে। ৩। নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের নিয়োগ ব্যবস্থা নির্বাহী পরিষদের ৩ জন সদস্যকে ভারত সচিব নিয়োগ দান করবেন। নির্বাহী পরিষদের অপর ২ জন সদস্য ব্রিটিশরাজ কর্তৃক নিয়োজিত হবেন। এ দু'জন সদস্যের একজন হবেন আইন বিষয়ক সদস্য এবং অপরজন হবেন অর্থবিষয়ক সদস্য। ৪। পোর্টফোলিও পদ্ধতি: এ আইনে শাসন কাজের সুবিধার জন্য 'পোর্টফোলিও পদ্ধতি' প্রবর্তন করা হয়। এর ফলে শাসন বা নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণের কেউ শাসন, কেউ অর্থ, কেউ আইন বা কেউ সামরিক দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর ফলে ভবিষ্যতে ক্যাবিনেট ব্যবস্থা উদ্ভবের পথ প্রশস্ত হয়। ৫। গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা: (ক) প্রয়োজনবোধে যেকোনো প্রদেশের সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা গভর্নর জেনারেলকে প্রদান করা হয়। (খ) জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে ৬ মাস মেয়াদের জন্য 'অধ্যাদেশ' (Ordinance) জারি করার ক্ষমতা গভর্নর জেনারেল বা ভাইসরয়ের হাতে অর্পণ করা হয়। (গ) গভর্নর জেনারেল ব্যবস্থাপক পরিষদের যেকোনো বিল বা আইন ভেটো প্রয়োগ করে নাকচ করে দিতে পারতেন। ৬। সেনাবাহিনী প্রধান: ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান (Commander-in-Chief) নির্বাহী পরিষদের অতিরিক্ত সদস্যপদ লাভ করবেন। ৭। নির্বাহী পরিষদের বৈঠক পরিচালনা: গভর্নর জেনারেলের হাতে নির্বাহী পরিষদের বৈঠক পরিচালনার ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়। ৮। বিভাগীয় পদ্ধতি প্রবর্তন: এ আইন দ্বারা শাসনব্যবস্থায় বিভাগীয় পদ্ধতি (Departmental System) প্রবর্তন কন হয়। ৯। প্রাদেশিক সরকারগুলোর ক্ষমতা: এ আইন দ্বারা বোম্বাই ও মাদ্রাজের প্রাদেশিক সরকার আইন প্রণয়নের ক্ষমতা লাভ করে এবং পাঞ্জাব ও বাংলা প্রদেশে 'প্রাদেশিক আইন পরিষদ' (Provincial Legislative Council) গঠিত হয়। ১০। বাংলার গভর্নর: নির্বাহী পরিষদের বৈঠক যখন কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে তখন বাংলার গভর্নর অতিরিক্ত সা হিসেবে বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের যে অংশের মিল রয়েছে তার প্রধান প্রধ…
উদ্দীপক
রাজশাহী কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর