উদ্দীপকের আলোকে জনাব শিমুলের শেষের বক্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে জনাব শিমুলের শেষের বক্তব্যটি হল উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে খামার পাথরে অঞ্চলে ধর্মের ভিত্তিতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।ব্যাখ্যা করা হলো : উদ্দীপকে জনাব শেমু শ্রেণিকক্ষে বলেন খামার পাথরে অঞ্চলে প্রধানত দুটি ধর্মের লোক বাস করত এ দুটি ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দলের অধিবেশনে একটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন তিনি শেষের বক্তব্য বলেন বক্তব্য প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আমার পাথরের অঞ্চলে ধর্মের ভিত্তিতে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় উল্লেখিত ঘটনা। দ্বিজাতি তত্ত্ব হল এমন একটি মতাদর্শ যেখানে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রাথমিকভাবে কেবলমাত্র তাদের ধর্মের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমান এবং হিন্দু দুটি স্বতন্ত্র জাতীয়তার পরিচয় দেয়া হয়েছে, এবং যেখানে ভাষা, বর্ণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্টের তুলনায় ধর্মকে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়েছে। পাকিস্তান আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের অন্যতম কারণ ছিলো এই দ্বিজাতি তত্ত্ব। এবং এই দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। দুটি স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান নামে দেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভারত অধিরাজ্য বর্তমান সময়ে ভারতীয় প্রজাতন্ত্র; পাকিস্তান অধিরাজ্য বর্তমান সময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসাবে পরিচিত। বিভাজনের ঘটনাটি জেলা-ভিত্তিক অমুসলিম বা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশের বিভাজনের সাথে জড়িত ছিল। ভারত বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী, রাজকীয় ভারতীয় নৌবাহিনী, ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস, রেল ও কেন্দ্রীয় কোষাগারও বিভক্ত করে দেওয়া হয়। এই বিভাজনটি ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭-এ বর্ণিত হয়েছিল এবং এর ফলে ভারতে ব্রিটিশ রাজ বা ক্রাউন শাসনের অবসান ঘটে। দুটি স্ব-শাসিত দেশ ভারত ও পাকিস্তান আইনত ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে অস্তিত্ব লাভ করে। স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলা রাষ্ট্র' গঠনের প্রস্তাব এবং এর ভবিষ্যৎ সংবিধানের রূপরেখা প্রকাশিত হলে 'হিন্দু মহাসভ কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়াশীল ও ধর্মান্ধ অবাঙালি নেতাগণ এর বিরোধিতা শুরু করেন। এসব সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধ নেতাগণ ভার বিভক্তির সাথে সাথে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভক্তিরও দাবি জানান। ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মুসলিম লীগের কাউন্সি অধিবেশনে মি. জিন্নাহর প্ররোচনায় অবাঙালি মুসলিম লীগ নেতাদের সমর্থনে ভারত বিভক্তি সংক্রান্ত মাউন্টব্যাটেনের '৩ জ পরিকল্পনা' গৃহীত হয়। বাংলা প্রদেশের অধিবাসী হয়েও খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মওলানা আকরাম খান সেদিন জিন্নাহকে সমর্থন করেছিলেন, অখণ্ড বাংলাকে নয়। তবে আবুল হাশিমসহ ৭ জন প্রতিনিধি এ সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিব করেছিলেন। ৩২ এর ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত বিভক্ত হয় এবং এর পাশাপাশি বাংলা বিভক্ত হয়ে পূর্ব অভ 'পাকিস্তানের' সাথে এবং পশ্চিম অংশ ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে জনাব শিমুলের শেষের বক্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক
রাজশাহী কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর