উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও ব্যবস্থাপক সভা, প্রদেশে দ্বৈতশাসন, ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, ভারত সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি প্রভৃতি। এ তথ্যগুলো ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মন্টেগু-চেমসফোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী আইনটি প্রণীত হয়েছিল বলে একে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইনও বলা হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য ছিল হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি ব্রিটেনে ভারতীয় ছাত্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করতেন। তিনি ৫ বছরের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক নিয়োগ লাভ করতেন। আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আইনসভাকে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় রূপান্তরিত করা হয়। উচ্চকক্ষের নামকরণ করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং নিম্নকক্ষের নামকরণ করা হয় 'ব্যবস্থাপক সভা'। এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। এ ব্যবস্থা অনুসারে, প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়ে ভাগ করা হয় । আইন-শৃঙ্খলা, অর্থ, রাজস্ব প্রভৃতি বিষয়সমূহ সংরক্ষিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অপরদিকে শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্বায়ত্তশাসন প্রভৃতি বিষয়গুলো ছিল হস্তান্তরিত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।
HSC Civics 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? …
চট্টগ্রাম কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর