শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'ক' দেশে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান? তার গুণসমূহ উল্লেখ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'ক' দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এককেন্দ্রিক সরকার বলতে এমন এক ধরনের সরকারকে বোঝায় যেখানে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট ন্যস্ত থাকে। এখানে প্রাদেশিক সরকার বা অঙ্গরাজ্য সরকার থাকতে পারে, কিন্তু এই সরকারগুলো কোনো স্বাধীন ক্ষমতা ভোগ করে না। আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক সরকার ক্ষমতা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক স্বাধীনতা ভোগ করে না। গোটা দেশ একটি কেন্দ্র থেকে শাসিত হয় বলে এ ব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত রয়েছে। এককেন্দ্রিক সরকারের গুণাবলি নিম্নরূপ: ১. নমনীয় : এককেন্দ্রিক শাসন ব্যববস্থা নমনীয়। কেননা কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ২. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব : এককেন্দ্রিক সরকারে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় বলে বলিষ্ঠ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব। ৩. অপচয় রোধ: এই শাসনব্যবস্থা সরকারি খরচের অপচয় রোধ করে। এককেন্দ্রিক সরকার সহজ-সরল রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলে। ফলে অপচয় রোধ হয়। ৪. ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে উপযোগী: অপেক্ষাকৃত ছোট বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে এই শাসনব্যবস্থা উপযোগী। ৫. রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা : কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী বলে রাষ্ট্রীয় ঐক্য সৃষ্টি করা সহজ হয়। জনগণ আঞ্চলিক আনুগত্যের প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয় না। ৬. সুষ্ঠু শাসনের নিশ্চয়তা: এই শাসনব্যবস্থা সাংবিধানিক সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতা থেকে মুক্ত। ফলে সুষ্ঠু শাসন পরিচালনা নিশ্চিত হয়। ৭. জাতীয় সংহতি : এই শাসনব্যবস্থায় দ্বিনাগরিকত্বের অবকাশ নেই বলে সুসংহত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এতে জাতীয় সংহতি জোরদার হয় এবং জনগণ গভীর ভ্রাতৃত্ব ও একতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ৮. সহজ-সরল গঠন প্রকৃতি: এককেন্দ্রিক সরকারের গঠন পদ্ধতি সহজ, সরল। একটি মাত্র সরকার এবং একক আনুগত্য থাকায় ক্ষমতা বণ্টন সংক্রান্ত জটিলতা থাকে না।

HSC Civics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'ক' দেশে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান? তার গুণসমূহ উল…

উদ্দীপক

'ক' একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রের একটিমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যমান। অপরদিকে 'খ' একটি বৃহৎ রাষ্ট্র। তার অনেকগুলো অঞ্চল রয়েছে। ইচ্ছা করলেও 'খ' দেশের কেন্দ্রীয় সরকার আঞ্চলিক সরকারের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

সোনার বাংলা কলেজ · 2024

উত্তর

সরকার :সরকার একটি বাস্তব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের মুখপাত্র। সংকীর্ণ অর্থে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীকে সরকার বলে।

উত্তর

একনায়কতন্ত্র হলো এমন শাসনব্যবস্থা, যাতে রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত থাকে। একনায়কতন্ত্রকে সামাজিকভাবে নিকৃষ্ট শাসনব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয়। এই শাসন ব্যবস্থায় আইনসভার অস্তিত্ব নেই বলে শাসনকর্তা তার খেয়াল-খুশিমত দেশ পরিচালনা করেন। এতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হতে দেখা যায়।একনায়কতন্ত্রের ইতিহাস অতি প্রাচীন। খ্রিস্টপূর্ব সাত ও ছয় শতকে প্রাচীন গ্রিসে স্বৈরাচারতন্ত্রের মধ্যে এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সরকারের আধুনিক শ্রেণিবিভাজন অনুযায়ী গণতন্ত্রের বিপরীত সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে একনায়কতন্ত্র। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালি, জার্মানি ও স্পেনে একনায়কতন্ত্রের জন্ম হয় এবং বর্তমানেও এটি অনেক রাষ্ট্রে দেখা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এককেন্দ্রিক সরকার বলতে এমন এক ধরনের সরকারকে বোঝায় যেখানে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট ন্যস্ত থাকে। এখানে প্রাদেশিক সরকার বা অঙ্গরাজ্য সরকার থাকতে পারে, কিন্তু এই সরকারগুলো কোনো স্বাধীন ক্ষমতা ভোগ করে না। আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক সরকার ক্ষমতা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক স্বাধীনতা ভোগ করে না। গোটা দেশ একটি কেন্দ্র থেকে শাসিত হয় বলে এ ব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত রয়েছে। এককেন্দ্রিক সরকারের গুণাবলি নিম্নরূপ: ১. নমনীয় : এককেন্দ্রিক শাসন ব্যববস্থা নমনীয়। কেননা কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ২. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব : এককেন্দ্রিক সরকারে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় বলে বলিষ্ঠ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব। ৩. অপচয় রোধ: এই শাসনব্যবস্থা সরকারি খরচের অপচয় রোধ করে। এককেন্দ্রিক সরকার সহজ-সরল রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলে। ফলে অপচয় রোধ হয়। ৪. ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে উপযোগী: অপেক্ষাকৃত ছোট বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে এই শাসনব্যবস্থা উপযোগী। ৫. রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা : কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী বলে রাষ্ট্রীয় ঐক্য সৃষ্টি করা সহজ হয়। জনগণ আঞ্চলিক আনুগত্যের প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয় না। ৬. সুষ্ঠু শাসনের নিশ্চয়তা: এই শাসনব্যবস্থা সাংবিধানিক সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতা থেকে মুক্ত। ফলে সুষ্ঠু শাসন পরিচালনা নিশ্চিত হয়। ৭. জাতীয় সংহতি : এই শাসনব্যবস্থায় দ্বিনাগরিকত্বের অবকাশ নেই বলে সুসংহত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এতে জাতীয় সংহতি জোরদার হয় এবং জনগণ গভীর ভ্রাতৃত্ব ও একতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ৮. সহজ-সরল গঠন প্রকৃতি: এককেন্দ্রিক সরকারের গঠন পদ্ধতি সহজ, সরল। একটি মাত্র সরকার এবং একক আনুগত্য থাকায় ক্ষমতা বণ্টন সংক্রান্ত জটিলতা থাকে না।

উত্তর

উদ্দীপকে 'খ' দেশের সরকার 'যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার' ব্যবস্থা বিদ্যমান এই সরকার ব্যবস্থার সাফল্যের শর্তাবলী আলোচনা করা হলো : ১. যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব : যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্যের প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো 'যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব'। যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাবের রয়েছে দুটি দিক-(১) কেন্দ্রমুখী প্রবণতা (Centripetal tendency) এবং (২) কেন্দ্রবিমুখী প্রবণতা (Centrifugal tendency)। ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য ইচ্ছার পাশাপাশি যখন প্রদেশ বা অঞ্চলগুলোর মধ্যে নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষার বাসনাও প্রবল থাকে তখন 'যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব' সৃষ্টি হয়। ২. ভৌগোলিক সান্নিধ্য: ভৌগোলিক সান্নিধ্যের ফলে জনগণের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হবার ইস্ক্য দেখা দেয়। অপরদিকে ভৌগোলিক অসংলগ্নতা ঐক্যবদ্ধ হবার পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। স্বাধীনতা-পূর্ব কালে বর্তমান আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্য পাশাপাশি অবস্থিত থাকায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা অর্জন এবং একটি যুক্তরাষ্ট্র গঠন করে। ধর্মের বন্ধন থাকা সত্ত্বেও ভৌগোলিক অসংলগ্নতার কারণে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ভেঙে যায় এবং পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণ স্বাধীন হয়। ৩. ধর্মীয় ঐক্য: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের জনগণ একই ধর্মাবলম্বী হলে ভালো হয়। তবে শুধু ধর্মের বন্ধনই যথেষ্ট নয়। কেননা ধর্মের বন্ধনে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হলেও ভাষা এবং সংস্কৃতিগত বন্ধন না থাকায় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দেখা দেয়ায় ১৯৭১ সালে পাকিস্তান নামক যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু ঘটে। ৪. ভাষা ও সংস্কৃতিগত ঐক্য: যুক্তরাষ্ট্রের প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর জনগণের মধ্যে ভাষা ও সংস্কৃতিগত ঐক্য থাকা প্রয়োজন। যখন বিভিন্ন প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের জনগণ একই ভাষায় কথা বলে এবং একই সাহিত্য ও সংস্কৃতি তাদেরকে আকৃষ্ট ও অনুপ্রাণিত করে তখন তাদের মধ্যে জাতীয় ঐক্যভাব গড়ে ওঠে। ভাষা ও সংস্কৃতিগত বিভিন্নতার কারণেই পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ভেঙে যায় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ৫. রাজনৈতিক সচেতনতা: যুক্তরাষ্ট্র সর্বাপেক্ষা জটিল শাসনব্যবস্থা। এর সফলতার জন্য তাই জনগণের রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সজাগতা এবং আত্মত্যাগের মনোভাব থাকা প্রয়োজন। ৬. সৎ ও সুযোগ্য নেতৃত্ব: সৎ, দেশপ্রেমিক ও সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সফল হয় না। জর্জ ওয়াশিংটন, ম্যাডিসন, হ্যামিল্টন, জেফারসন ও লিঙ্কনের মত সুযোগ্য ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতারা পৃথিবীর বুকে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠা এবং তাসফল করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ৭. সাংবিধানিক প্রাধান্য: সাংবিধানিক প্রাধান্য না থাকলে যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে পারে না। কেননা যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধানইহচ্ছে জনগণের রক্ষক ও অভিভাবক। ৮. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ: সংবিধানের প্রাধান্য নিষ্ঠার সাথে স্বীকৃত ও প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ও নিরপেক্ষ যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত গঠন এবং একে সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব প্রদান করা উচিত। ৯. লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান: সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রাধান্য রক্ষার জন্য, সংবিধানকে স্পষ্ট করে তোলার জন্য তা লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় হতে হবে। ১০. দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থাকাই বাঞ্ছনীয়। উচ্চকক্ষ প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের স্বার্থ দেখাশোনা করবে। ১১. অভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষা: যুক্তরাষ্ট্রের সকল অঙ্গরাজ্য বা প্রদেশের জনগণের মধ্যে অভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকা বাঞ্ছনীয়। ১২. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগত সাদৃশ্য: যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও প্রদেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগত সাদৃশ্য থাকা বাঞ্ছনীয়। ১৩. আইন মেনে চলার মনোভাব: যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় নাগরিকদের আইন মেনে চলার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। ১৪. সমতা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রদেশগুলোর মধ্যে সমতা বজায় থাকা একান্ত প্রয়োজন। কেননা জনসংখ্যা ও সম্পদের ক্ষেত্রে বিরাট বৈষম্য বিদ্যমান থাকলে প্রদেশগুলোর মধ্যে ক্ষমতা ও সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। ১৫. আর্থিক সামর্থ্য: যুক্তরাষ্ট্র শুধু জটিল সরকার পদ্ধতিই নয় বরং তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল সরকারব্যবস্থা। সুতরাং পরিচালনা ও প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে।
HSCCivics 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ISP এর পূর্ণরূপ কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে। উদ্দীপকে নিচের কোন আইনটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.G < C অর্থ-

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.কোনটি সরকারি আইন নয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ২০১৬- এ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হ্যাকারদের দ্বারা কীভাবে সংঘটিত হয়?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
ii. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির অনুপস্থিত
iii. জনগণ রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-
i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ii. জীবনধারণের স্বাধীনতা
iii. চলাফেরার স্বাধীনতা নিচের কোনটি সঠিক?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. উদ্দীপকে যে নীতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তার নাম কী?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের সকল অঙ্গ পৃথক। তবে কখনও কখনও সরকারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি অঙ্গ অন্যটির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।Q. কোন রাষ্ট্রে এ ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12."An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

Dinajpur · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ISP এর পূর্ণরূপ কী?কোনটি জনমতের প্রাথমিক মাধ্যম?রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো সকল আইনের উৎস। পার্লামেন্ট এই আইনের বিধান অনুযায়ী আইনG < C অর্থ-কোনটি সরকারি আইন নয়?হ্যাকাররা ডিসেম্বর ২০১৬-এ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ৩১.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রাজনৈতিক সরকারের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?i. রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতাপ্রাবাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে বুঝায়-i. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাii. জীবনধারণের স্বাধীনউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছেউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:এমন একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে"An Introduction to the Law of the Constitutions" গ্রন্থটির লেখক কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে 'ক' দেশে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান? তার গুণসমূহ উল… | Prosthuti