উদ্দীপকে সরকারের বিচার বিভাগকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যার গঠন স্তরভিত্তিক।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সরকারের একটি বিভাগের ব্যক্তিবর্গকে নিয়োগ দিতে পারেন। এ ধরনের ব্যক্তিবর্গের বিজ্ঞতা, সাহসিকতা ও সততার উপর উক্ত বিভাগের স্বাধীনতা নির্ভর করে। উদ্দীপকের এসব তথ্য বিচার বিভাগকেই নির্দেশ করে। বিচার বিভাগের গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রভেদে মিল ও অমিল উভয়ই পরিলক্ষিত হয়। তবে সাধারণত বিচার বিভাগের গঠন নিম্নরূপ হয়ে থাকে—
বিচার বিভাগের গঠন স্তরভিত্তিক। নিম্ন স্তরের আদালতের ওপরে রয়েছে মধ্যম স্তরের আদালত। এ ধরনের আদালতে অপেক্ষাকৃত বড় দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল মামলার বিচারকার্য মধ্যম স্তরের আদালতেই সম্পন্ন হয়। মধ্যম স্তরের আদালতের ওপরে অবস্থানরত রাষ্ট্রের উচ্চ আদালত সর্বোচ্চ বিচারালয়ের ভূমিকা পালন করে। এ আদালত রাষ্ট্রের সংবিধানের ব্যাখ্যা, সাংবিধানিক বিরোধ মীমাংসা এবং সংবিধান রক্ষকের ভূমিকা পালন করে, নিম্ন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা দান করে এবং মধ্যম স্তরের আদালতের রায়ের আপিলের মীমাংসা করে থাকে। উচ্চ আদালত শাসন বিভাগকে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দান করে থাকে। অর্থাৎ নিম্ন স্তরের আদালত, মধ্যম স্তরের আদালত এবং উচ্চ আদালতের সমন্বয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।