বিলকিস আজাদের আচরণে আমলাতন্ত্রের যে বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটে উঠেছে সেগুলো হলো— স্থায়িত্ব, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও নিয়মানুবর্তিতা।
আমলাতন্ত্র একটি স্থায়ী সংগঠন। আমলারা একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মে বহাল থাকেন। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে খুব দক্ষ হয়ে থাকেন। আমলাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিরপেক্ষতা আমলাতন্ত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য । আমলারা নিরপেক্ষভাবে তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। এতে তাদের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট থাকে। আমলাতন্ত্রে সব কাজের জন্য নিম্নস্তরের কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দায়ী থাকেন। তাই তারা অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। আমলাতন্ত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো নিয়মানুবর্তিতা ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিলকিস আজাদ একজন স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তিনি নিরপেক্ষভাবে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন। যথাসময়ে নিজের কাজ সম্পন্ন করেন। তার সততা ও আচরণে জনগণ সন্তুষ্ট। তাই বলা যায়, বিলকিস আজাদের কাজ ও আচরণে আমলাতন্ত্রের স্থায়িত্ব, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, দায়িত্বশীলতা নিয়মানুবর্তিতার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।